পত্নীতলায় বোরোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৯, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ণ

পত্নীতলা প্রতিনিধি


পত্নীতলায় বোরো ধানের খেত-সোনার দেশ

নওগাঁর শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত পত্নীতলা উপজেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। বর্তমানে সবুজে ভরে গেছে মাঠের ফসল। কিন্তু, প্রাকৃতিক দুর্যোগ (কালবৈশাখি ঝড়) হলে মাথায় হাত ছাড়া কোন উপায় থাকবে না বলে আলাপ জানান চাষিরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার নজিপুর পৌরসভাসহ ১১টি ইউনিয়নে মোট ২০ হাজার ২শ ২০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এতে অর্জিত হয়েছে ২০ হাজার ৮শ হেক্টর।
এবারের বোরোর জাত গুলো হচ্ছে- হাইব্রিড: ধানি গোল্ড, তেজগোল্ড, হিরা-২ ও উফশী: ব্রিধান-২৮,২৯,৫০,৫৮,৫৯,৬১,৬৩, বিনা ধান-১৪, পারিজা এবং জিরাশাইল।
বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ) নওগাঁ-২, এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবদুল মালেক চৌধুরী জানান, গভীর নলকূপের আওয়তায় সেচের পানি ব্যবহার করে চাষিরা সঠিক ও নিয়ম অনুসারে সেচ সুফল পাচ্ছেন। এছাড়া চলতি মৌসুমে বিদ্যুৎ বিভ্রাট (লোডশেডিং) এর কোন অভিযোগ নেই।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ প্রকাশ চন্দ্র সরকার জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ (কালবৈশাখি ঝড়) না হলে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) শাপলা খাতুন জানান, উচ্চ ফলনের প্রাপ্তির বিষয়ে চাষিদের নানা ভাবে কৃষি তথ্য ও পরামর্শ প্রদান করে আসছি আমরা। আগাম ধানের চারা রোপণ এলাকায় এক সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ধান কর্তন আরম্ভ হবে। তবে অর্ধ মাসের মধ্যে উপজেলায় পুরোদমে ধান কর্তনের ধূম পড়ে যাবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাইমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলার মাটির উর্বরতা ও গুনাগুণ ভাল থাকায় শতকরা অনেক ভাল ফলন হয়েছে। আমরা চাষিদের উৎসাহ প্রদান করে ও নানা রকম পরামর্শ দিয়ে আগামিতে উন্নতজাত ও লাভবান ফলনের বিষয়ে কাজ করবো।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ