পদ্মাপাড়ের সৌন্দর্য্য আবারও ফেরালেন মেয়র লিটন

আপডেট: মার্চ ১১, ২০১৯, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


পদ্মাপাড়ে সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ দেখছেন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন-সোনার দেশ

পদ্মাপাড়ের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য্য সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের উদ্যোগে পুনরায় ফিরে এসেছে। তাঁর দিক-নির্দেশনায় রাজশাহীবাসীর বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র পদ্মাপাড় আবারো হয়েছে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ঝকঝকে-তকতকে।
গতকাল রোববার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মাপাড়ের ম্লান হয়ে যাওয়া সৌন্দর্য্য ফিরে এসেছে। পদ্মা গার্ডেনের বিজ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে রঙ করা হয়েছে। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন ও নতুন রঙে ঝকঝক করছে পদ্মাগার্ডেন ও আশপাশের এলাকা। নতুন রূপ পেয়েছে রাজশাহীবাসীর বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র পদ্মাপাড়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত থাকছে দর্শনার্থী ও বিনোদনপ্রেমিদের উপচে ভিড়।
জানা গেছে, ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রথম মেয়াদে দায়িত্বে থাকাকালে পদ্মাপাড়ের ব্যাপক সৌন্দর্য্যবর্ধন করেছিলেন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। গড়ে তুলেছিলেন বিভিন্ন স্থাপনাসহ সেরা বিনোদনকেন্দ্র। পদ্মাপাড়ের সৌন্দর্য্যরে অন্যতম কেন্দ্র পদ্মাগার্ডেন। তবে ২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত অন্য একজন মেয়রের দায়িত্বে থাকার ফলে পদ্মাপাড়ের সেই সৌন্দর্য্য ম্লান হয়ে যায়।
২০১৮ সালের ০৫ অক্টোবর দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সুযোগ্য সন্তান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অন্যতম কার্যনিবাহী সদস্য ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। মেয়র লিটনের দায়িত্বগ্রহণের পরপরই থেমে এবং বন্ধ হয়ে থাকা সব উন্নয়ন কাজ সচল হয়েছে। রাজশাহীর সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নে এসেছে গতি। মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের দিক-নিদের্শায় মহানগরীর সৌন্দর্য্যবর্ধন কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এর ধারাবাহিকতায় পদ্মাপাড়ের সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজও চলছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু বলেন, মাননীয় মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নির্দেশে পদ্মাপাড়ের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য্য ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। ইতোমধ্যে পদ্মাগার্ডেনের ব্রিজসহ অন্যান্য স্থাপনায় নতুন রঙ করা হয়েছে। বিভিন্ন সংষ্কারকাজও চলছে। সৌন্দর্য্যবর্ধনের কাজ আরো কিছুদিন চলবে।
তিনি আরো বলেন, নদীরধারের ফুদকিপাড়া থেকে সীমান্ত অবকাশ পর্যন্ত এলাকায় পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। ২০ দিন ধরে শতাধিক স্বেচ্ছাসেবি পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে ঝোঁপঝাড়, ময়লা-আবর্জনা সব সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
এদিকে পদ্মাগার্ডেনসহ পদ্মাপাড় পরিদর্শন করেছেন সিটি মেয়র এএএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এ সময় প্যানেল মেয়র-১ ও ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ