পরশ্রীকাতরতা-ঈর্ষা এবং হিংসার ঘোরপ্যাঁচে আমরা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ

হাবিবুর রহমান স্বপন


শিল্পী, কবি, সাহিত্যিকদের মধ্যে ঈর্ষা, পরশ্রীকাতরতা বেশি। এটি আমার কথা নয়। এটি যুগ যুগ ধরে চলে আসা একটি কথা। অনেকে এর সাথে আবার হিংসাটাকেও যোগ করেন।
ঈর্ষা সম্পর্কে জগৎবিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টেটল বলেছেন, ‘ঈর্ষা থেকে আত্মরক্ষা করা উচিত। কিন্তু যে ঈর্ষার আত্মশুদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, তা কিছুতেই পরিত্যাগ করা উচিত নয়’। হেরোডেটাস বলেছেন, ‘মানুষের অনুকম্পা পাওয়ার চেয়ে মানুষের ঈর্ষা পাওয়া শ্রেয়’। সকল ধর্ম্ম মতে ‘হিংসা’ মহাপাপ। হিংসা থেকে নিষ্ঠুরতা-বর্বরতা জন্ম নেয়।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর গল্প-কবিতা তখনকার বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা ‘বঙ্গদর্শন’-এ ছাপা হয়নি। যদিও বঙ্কিমচন্দ্র রবীন্দ্রনাথের লেখার প্রশংসা করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্রের মৃত্যুর পর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকার সম্পাদক হয়েছিলেন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম জীবনের লেখা কোনো পত্রিকা সম্পাদক ছাপেন নি। আমাদের দেশের শামসুর রাহমান, হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলন এবং ওপার বাংলার বিভূতি ভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সমরেশ মজুমদার, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখাও প্রথম দিকে পত্রিকা সম্পাদকগণ ছাপেন নি। ল্যাটিন আমেরিকার নোবেল জয়ী সাহিত্যিক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ-এর গল্প, উপন্যাস কোনো পত্রিকা ছাপেনি। এরকম উদাহরণ আছে প্রচুর। শুধু তাই নয়, কবি-সাহিত্যিকদের কঠোর সমালোচকও ছিল এবং এখনও আছে।
রাস্তা দিয়ে যখন বড় কোনো প্রাণী রাজকীয় ভঙ্গিতে হেঁটে চলে তখন একটি প্রাণী ঘেউ ঘেউ করে। তাতে কি বড় প্রাণীটির বড়ত্ব খাটো হয়? প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে যিনি এগিয়ে যাওয়ার দুরন্ত সাহস দেখান তিনিই তো বড় হতে পেরেছেন বা পারেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সমালোচক ছিলেন, মেহিতলাল মজুমদার, দীজেন্দ্রলাল রায়সহ বেশ কয়েকজন। তাতে কি রবীন্দ্রনাথের কবি প্রতিভার প্রকাশ ঘটেনি। তিনি কি বিশ্ব কবির স্বীকৃতি পাননি? উল্লিখিত সমালোচকগণই নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির পর রবীন্দ্রনাথের সংবর্ধনা সভায় যোগদান করেছিলেন। যেসব প্রকাশক শামসুর রাহমান, হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলন-এর রচনা বা বই প্রকাশ করেন নি, সেইসব প্রকাশকই আবার পরে বই প্রকাশ করার জন্য উক্ত লেখকদের কাছে ধর্ণা দিয়েছেন। যেসব সংবাদপত্র গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ-এর লেখা গল্প উপন্যাস ছাপেন নি, সেই সব প্রত্রিকার সম্পাদকগণই মার্কেজের লেখার প্রশংসা করেছেন। মার্কেজ নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর সেই সব সম্পাদকই অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। যেহেতু মার্কেজ একজন সাংবাদিক তাই তার সঙ্গে গৌরবের অংশীদার হতে দেখা গেছে মার্কেজকে ঈর্ষা ও হিংসা করা সম্পাদক ও সাংবাদিকদের।
আমি সংবাদপত্রের সঙ্গে যুক্ত আছি প্রায় চার দশক। এখানেও পরশ্রীকাতরতা এবং ঈর্ষা লক্ষ্য করে আসছি। হিংসা আছে কি-না তা খতিয়ে দেখার সময় পায়নি। হয়তো বা সেটাও আছে। প্রয়াত সাংবাদিক বন্ধুবর মোনাজাতউদ্দিন লিখেছেন, যদি বার্তা সম্পাদক বা সম্পাদকের সঙ্গে সাংবাদিকের সুসম্পর্ক থাকে তা হলে একটি খবর ভালো ট্রিটমেন্ট পায়। আর যদি মন্দ সম্পর্ক থাকে তাহলে খবরটি খারাপ বা দুর্বল টিটমেন্ট পায়। যে খবরটি প্রথম পাতায় ডাবল কলাম ছাপা হওয়ার যোগ্য সেটি দুর্বল ট্রিটমেন্টে পত্রিকার ভেতরের পাতায় চার অথবা পাঁচ কলামেও ছাপা হতে পারে।
বিজ্ঞ সম্পাদক একজন সাংবাদিক বা সাহিত্যিককে তুলে ধরতে পারেন। আগের দিনে সংবাদপত্র প্রকাশিত হতো রাজনৈতিক বা আদর্শ প্রচারের জন্য। এখন তা বাণিজ্যিক। শুধু কি তাই, বাণিজ্যিক পত্রিকাসমূহ কর্পোরেট বাণিজ্যের ধারক-বাহক। বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদনা করতেন। তাঁরা তাঁদের রচনা সমূহ নির্বিঘেœ তাঁদের পত্রিকায় প্রকাশ করতে পেরেছেন। নিজেই সাহিত্য সম্পাদক ও সম্পাদক ছিলেন হেতু আহসান হাবিব, কবি শামসুর রাহমান তাদের রচনা যথাযথভাবে প্রকাশ করতে পেরেছেন। বর্তমান সময়ে এমনইভাবে কয়েকজন কবি-সাহিত্যিক আছেন যারা নিজে পত্রিকা সম্পাদনা করেন। এখন একজন কবি, গল্পকার, নাট্যকার বা ঔপন্যাসিককে এক বা একাধিক সম্পাদকের উপর নির্ভর করতে হয়। শুধু সম্পাদকের কৃপা দৃষ্টি হলেই হবে না পত্রিকার মালিকেরও সুদৃষ্টি থাকতে হবে। সাহিত্যের গুণ বিচার করার মতো যোগ্যতা সম্পন্ন সম্পাদকও এখন হাতে গোনা। কারণ আগে বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল সাহিত্য বুঝতেন, তাই তারা অন্যের লেখার কদর দিতেন। সে যুগেও ছিল ঈর্ষাপরায়ণতা। এ কারণেই হয়তো বা বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের লেখা ছাপা হতো না। সেটি পরশ্রীকাতরতাও হতে পারে। কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদক ছিলেন। তিনি খবর বুঝতেন। খবর লিখতেন এবং খবরের আকর্ষণীয় হেডিং দিতেন। আবার তিনি ছিলেন একজন ভাল কবি বা সাহিত্যিক। তাই তার সম্পাদনায় ‘লাঙল’, ‘নবযুগ’, ‘ধূমকেতু’ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। খবরের পাশাপাশি পত্রিকাগুলোতে সাহিত্যের সকল বিষয় ছাপা হতো।
এখন পত্রিকাগুলোর কর্তৃপক্ষ প্রতি কলাম ইঞ্চির হিসেব করেন। বেশিরভাগ পত্রিকায় সাহিত্য পাতা নেই। না থাকার কারণ সম্ভবত যোগ্য সাহিত্য সম্পাদক নেই তাই সাহিত্য পাতা করার মতো সাহস কেউ দেখান না। যেসব সাহিত্যিকের লেখা একদা কেউ ছাপেনি, তাদের মধ্যে কয়েকজন এখন পত্রিকার সম্পাদক বা সাহিত্য সম্পাদক। এখন তারা নতুন লেখকদের কি প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দিচ্ছেন? আমার তো মনে হয় তারা তা করছেন না বা করতে পারছেন না। তিনি নিশ্চয়ই তার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে নতুন লেখকদের কষ্ট অনুভব করতে পারেন। কিন্তু তিনি কি তার আগের দিনের কথাটি মনে রেখেছেন? না কি নিজে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর অতীত ভুলে গেছেন? একজন অখ্যাত বা নতুন লেখককে লেখার সুযোগ দিলে তিনি যে ক্রমান্বয়ে ভালো লেখা উপহার দিতে পারেন এর উদাহরণ অনেক দেয়া যাবে। কর্পোরেট হাউজের পত্রিকাগুলো তো তাদের স্বার্থ বা মালিকের স্বার্থ সংরক্ষণ করে থাকে। তাতে খবর, গল্প, কবিতা সবই অন্তর্ভুক্ত থাকে। এপার বাংলা এবং ওপার বাংলার কয়েকটি বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা এবং সাহিত্য পত্রিকা প্রথিতযশা লেখকদের লেখা ছাপে। এছাড়া কিছু নির্দিষ্ট লেখকের লেখা প্রকাশ করে। এমনও শোনা যায়, কিছু লেখকের সঙ্গে ওই সব পত্রিকার চুক্তি থাকে। চুক্তির শর্ত হচ্ছে : লেখক বা কবি অন্য কোনো পত্রিকায় লেখা দিতে পারবেন না। অর্থাৎ লেখকের মেধা পত্রিকাগুলো কিনে নেয়। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, তারাশঙ্কর, শরৎচন্দ্র তাঁদের লেখার জন্য আগাম পারিশ্রমিক বা সম্মানির টাকা নিয়েছেন। তবে তাঁরা অন্য পত্রিকায়ও নতুন লেখা দিতে পারতেন বা দিয়েছেন। কিন্তু এখনকার শর্ত কঠিন। কোনো পত্রিকাতেই লেখক তার লেখা দিতে পারেন না। পুরোপুরি মাথা বিক্রি!
সংবাদপত্রের বা সাংবাদিকতারও একই অবস্থা। রাজধানীর সাংবাদিকগণ কুলিন আর মফস্বল শহর বা গ্রামের সাংবাদিকরা হরিজন। মফস্বলেও যে প্রতিভাবান সাংবাদিক ছিল বা আছেন তার অনেক উদাহরণ দেয়া যায়। জুতা সেলাই থেকে চ-িপাঠ সবই করতে হয় মফস্বলের একজন সাংবাদিককে। বাজার দর, খেলার খবর, ঘটে যাওয়া নিত্যদিনের গুরুত্বপূর্ণ খবর ছাড়াও কৃষি, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ সকল বিষয়ের খবর পরিবেশন করতে হয় একজন মফস্বল সাংবাদিককে। এর পরেও তারা নিয়মিত পারিশ্রমিক বা বেতন পান না। শুধু কি তাই, তাদের খবর ভালো ট্রিটমেন্টও পায় না। মফস্বলে সাতজন দুর্ঘটনায় মারা গেলে প্রথম পাতায় হয় সিঙ্গেল কলামে অথবা শেষ পৃষ্ঠায় ডাবল কলামে ছাপা হয়। আর রাজধানীতে দুজনের মৃত্যুর খবরও তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায়।
বিজ্ঞ-দক্ষ সম্পাদকের কারণে বা তার সহযোগিতায় একজন মফস্বল সাংবাদিক সম্মানজনক আসন পেতে পারেন। তাতেও সমস্যা। কারণ, ডেস্কে বা পত্রিকা অফিসে কর্মরত কিছু ঈর্ষাপরায়ণ, পরশ্রীকাতর ব্যক্তি থাকেন। যারা কাজের চেয়ে চাটুকারিতা ও তোষামোদে সিদ্ধহস্ত। পত্রিকার মালিক এবং সম্পাদককে ঘিরে তারা নানা কান কথা বলে নিজের স্বার্থ হাসিল করেন এবং অপরের সমস্যার সৃষ্টি করেন। প্রয়াত সাংবাদিক সন্তোষ গুপ্ত বলতেন, ‘সংবাদপত্রে কাজ করতে দরকার তীক্ষè বুদ্ধি, দূরদৃষ্টি এবং বিশ্লেষণী ক্ষমতা বা দক্ষতা’। কথা প্রসঙ্গে একদিন বন্ধুবর মোনাজাতউদ্দিন বলেছিলেন, ‘সম্পাদকের গুড বুকে থাকবেন সেটা অফিসের কিছু ব্যক্তি ভাল চোখে দেখবে না। তারা আপনাকে পেছন থেকে টেনে ধরবে। দক্ষ-বিচক্ষণ সম্পাদক সেসব পাত্তা দেন না’। এ প্রসঙ্গে তিনি তার কিছু অভিজ্ঞতার কথাও বলেছিলেন। কিভাবে তিনি সকল বাধা অতিক্রম করে নিজের কাজ দ্বারা স্থান দখল করে নিয়েছিলেন তারও বর্ণনা দিয়েছিলেন। তিনি যখন খবরের পাশাপাশি উপ-সম্পাদকীয় লেখা শুরু করেন, তখন অফিসের কিছু স্টাফ সম্পাদকের কান ভারি করেন, একজন মফস্বল সাংবাদিক কেন উপ-সম্পাদকীয় লিখবে। মাননীয় সম্পাদক ষড়যন্ত্রকারী, ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের কথা শোনেন নি। তিনি মোনাজাতউদ্দিনের লেখা ছাপতেন। এই জেদের বশেই মোনাজাতউদ্দিন কয়েকটি বই রচনা করেন। তার অকাল মৃত্যু হয়েছে বটে- তিনি এখনও সাংবাদিকতায় একজন অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। আর যারা ষড়যন্ত্র করেছেন বা ঈর্ষান্বিত হয়ে মোনাজাতউদ্দিনকে খাটো করতে চেয়েছেন তারা বড় হতে পারেন নি। বড় হতে বড়-উদার মন দরকার। অপরের ভালোকে স্বীকৃতি দিতে পারলেই বড়’র পরিচয় পওয়া যায়।
অযোগ্য ব্যক্তিরা পরশ্রীকাতরতায় ভোগেন। অপরের মঙ্গলে তাদের গাত্রদাহ হয়। তারা কাজও করবে না আবার অন্যের কাজেও বাঁধা প্রদান করে থাকেন। এ প্রসঙ্গে একটি চুটকি মনে পড়ে গেল, এক গৃহস্থ্যের গরু এবং কুকুর ছিল। গরু যখন ঘাস বা বিচালি খেতে অগ্রসর হয় তখন কুকুর ঘেউ ঘেউ করে গরুটির পথ রোধ করে। গরুটি ক্ষুধায় কষ্ট পেয়ে কুকুরকে বলে, আরে ভাই তুমি ঘেউ ঘেউ করে আমার পথ রোধ করছো কেন? হয় তুমি খাও না হয় আমাকে খেতে দাও। কুকুর ঘাস বা বিচালি খাবে না কিন্তু গরুকেও খেতে দিবে না। গরুকে খেতে না দিতে পারা বা বাঁধা প্রদান করতে পারাতেই যেন কুকুরটির শান্তি।
আবার এক শ্রেণির লোক আছে যাদের অনেক সম্পদ আছে। কিন্তু তারা অপরের অল্প কিছু সম্পদ দেখলেই ইর্ষায় জ্বলে-পুড়ে যায়। নিজের গাছে অনেক ফল তার পরেও অন্যের গাছে ঢিল দেয়ার অভ্যাস বা স্বভাব। এই স্বভাবের কারণে তার নিজের অর্জনও এক সময় বিসর্জন দিতে হয়। যিনি উদার, মনের দিক দিয়ে বড় প্রকৃত পক্ষে তিনিই মহান।
রবীন্দ্রনাথ বড় কবি ছিলেন, তিনি শুধু বড়ই ছিলেন না। তিনি ছিলেন মহান। তার সময়ের কবি-সাহিত্যিকদের তিনি উৎসাহ দিয়েছেন। কাজী নজরুল ইসলাম, যতীন্দ্রনাথ বাগচী, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দীজেন্দ্রলাল রায়, অতুল প্রসাদ সেন, জীবনানন্দ দাশ, রজনীকান্ত সেন, সুকান্ত ভট্টাচার্য, বন্দে আলী মিয়া, জসিমউদ্দিন প্রমুখ’র রচনা পড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রশংসা করেছেন এবং তাদের উৎসাহ দিয়েছেন। যা ভালো তাকে ভালো বলার সাহস থাকতে হবে। খারাপকে খারাপ বলারও সৎ সাহস থাকতে হবে। সৎ সাহস তারই থাকে যিনি স্বচ্ছ ও উদার মনের অধিকারী এবং সত্যের পূজারী।
লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট)