পশুবোঝাই ট্রাক চলাচলে বাধা নয় বাস্তবে এর প্রতিফলন যাতে ঘটে

আপডেট: আগস্ট ২, ২০১৯, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে কোরবানির পশুবোঝাই ট্রাক চলাচল করবে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া পশুবোঝাই কোনো ট্রাক না থামাতে পুলিশ কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।
৩১ জুলাই পুলিশ সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশ দেন। এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
মহাসড়কে পশু বোঝাই ট্রাক থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ অনেক পুরাতন। বিষয়টি নিয়ে দেশের সংবাদ মাধ্যমে কম লেখালেখি হয় নিÑ কিন্তু পরিস্থিতিটা ওই একই রকম। দেশের মানুষের মধ্যেও পুলিশকে নিয়ে তেমন একটি ধারণাও বদ্ধমূল। চাঁদাবাজির ঘটনা যে শুধু অভিযোগই- ব্যাপারটা তেমন নয়Ñ এমন কিছু কিছু ঘটনা সত্য বলেই ধারণা হয়। কেননা সংবাদ মাধ্যমে পুলিশের সাথে চালকের দফারফার সচিত্র প্রতিবেদন সেই ধারণাই দেয়। চালকরা অনেক ক্ষেত্রেই স্বীকারোক্তি দেয় যে, তারা মহাসড়কে ধাপে ধাপে পুলিশকে চাঁদা দেয়। গরু ব্যবসায়ী যারা রয়েছেন তারাও বিভিন্ন সময় পুলিশের চাঁদাবাজি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। এসব খবর সংবাদ মাধ্যমে এসেছে। এবং গবাদি পশুর দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে চাঁদাবাজিকেই দোষারোপ করা হয়। ধাপে ধাপে চাঁদা দিতে না হলে গরুর মূল্য কম হতোÑ ব্যবসায়ীদের কথা। এই টানাপোড়ন এভাবেই এতো দিন চলে এসেছে। এর কোনো সমাধান হয় নি। বা সমাধানের কোনো উদ্যোগও নেয়া হয় নি।
কিন্তু পুলিশের সর্বোচ্চ পধাধিকারী যখন নির্দেশ দিচ্ছেন যে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া সড়কে গরু বোঝাই ট্রাক আটকানো যাবে নাÑ তখন সেটা আশা জাগায়। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যমতে যদিও তিনি কোনো পুলিশ সদস্য অকারণ গরুবোঝাই ট্রাক আটক করলে সে ক্ষেত্রে কার কী করণীয় সে ব্যাপারে কিছু বলেন নি। এ বিষয়টি নিশ্চিত করলে ট্রাকচালক ও গরু ব্যবসায়ীদের জন্য সেটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতো।
যাহোক, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক যখন প্রতিশ্রতি দিচ্ছেন নিশ্চয় সেটির প্রতিফলনও থাকবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ