পাঁচ বিচারপতি, যাঁরা রায় দিচ্ছেন অযোধ্যা মামলার, দেখে নিন তাঁদের পরিচয়

আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৯, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ঐতিহাসিক অযোধ্যা মামলার রায় আজ। অযোধ্যার জমি বিবাদ মামলায় রায় ঘোষণা করেছেন দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ সহ পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। এই মামলার সংবেদনশীলতা বিচার করেই পাঁচ বিচারপতির নিরাপত্তা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
অযোধ্যা মামলার রায় দেয়া যে পাঁচ বিচারপতি, জেনে নেয়া যাক তাঁদের পরিচয়…
❏ প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ
অসমের বাসিন্দা দেশের ৪৬তম প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। উত্তর-পূর্ব ভারত থেকে তিনি প্রথম দেশের বিচার-ব্যবস্থার সর্বোচ্চ আসনে বসেছেন গত বছর। ২০০১ সালে গুয়াহাটি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি পদে বসেন তিনি। সেখান থেকে বদলি হন পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্টে। ২০১২ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি চালু, অযোধ্যা জমি বিতর্ক-সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায় দিয়েছেন। বেনজির ভাবে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে যে-চার জন বিচারপতি তৎকালীন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন, গগৈ তাঁদের অন্যতম।
❏ বিচারপতি এসএ বোবদে
বর্তমান প্রধান বিচারপতি মেয়াদ শেষ হলে বিচারপতি শরদ অরবিন্দই হবেন সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি। একসময়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন হেনস্থার অভিযোগ, আধার, অযোধ্যা জমি বিতর্কের মতো বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলায় বেঞ্চের সদস্য ছিলেন।
❏ বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়
২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড়। একসময়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন তিনি। শীর্ষ আদালতে আধার মামলার বেঞ্চের সদস্য ছিলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। আধার মামলায় রায় দিতে গিয়ে বলেছিলেন, আধার সংযুক্তিকরণ সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত পরিসরে আঘাত আনতে পারে।
❏ বিচারপতি অশোক ভূষণ
২০০১ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত। ২০১৫ সালে কেরল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত। ২০১৬ সালের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। মুম্বইয়ের আরে অরণ্যে গাছ কাটা, দিল্লিতে আমলাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত মামলা-সহ বিভিন্ন বেঞ্চের সদস্য ছিলেন।
❏ বিচারপতি এস আব্দুল নাজির
কোনও হাইকোর্টেরই প্রধান বিচারপতি ছিলেন না। তারপরেও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়ে এস আব্দুল নাজিরকে। তিন তালাক মামলার বেঞ্চের সদস্য ছিলেন নাজির। তিন তালাক প্রথাকে ‘সংবিধান বিরোধী’ আখ্যাও দিয়েছিলেন তিনি।
তথ্যসূত্র: আজকাল

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ