পাবনার আকাশে অদ্ভুত আলোক রশ্মি : মানুষের কৌতুহল

আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৮, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

পাবনা প্রতিনিধি


পাবনার আকাশে অদ্ভুত আলোক রশ্মি-সোনার দেশ

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পাবনার আকাশে সুর্যের চারিদিকে একটি অদ্ভুত গোলাকার ‘বলয়’ বা ‘রিং’ টাইপের আলোক রশ্মি নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়েছে। পাবনায় এ ধরণের রশ্মি এই প্রথম দেখা যায় বলে জানা গেছে। রশ্মিটি দেখে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন এবং কিছুটা ভীতি ও কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। আলোক রশ্মিটি দেখতে অনেকেই ভীড় জমায়। অনেকে ছবি তোলে আবার অনেকে ভয়ে ঘরে ঢুকে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এটির কোন খারাপ কিছু নয়, এটির নাম ‘হ্যালো’।
প্রত্যক্ষদর্শিরা জানান, দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে দেড় টা পর্যন্ত পুর্বাকাশে সুর্যের চারিদিকে একটি অদ্ভুত গোলাকার ‘রিং’ টাইপের আলোক রশ্মির সৃষ্টি হয়। কিছুটা রংধনুর মত দেখালেও এটি কালো বৃত্তাকার ছিল। অনেকে এটিকে কোন প্রাকৃতিক সঙ্কেত হিসেবে অভিহিত করেন। আবার কেউ বলেন, এটা তেমন কিছু নয়। তবে মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। দেড়টার দিকে রশ্মিটি আকাশে মিলিয়ে যায়।
পাবনার ব্যবসায়ী দেওয়ান কামাল বলেন, আমরা ৬০ বছরের জীবনে আমি এ ধরণের জিনিস দেখিনি। তাই ছবি তুলেছি।
এ বিষয়ে জানতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এএইচএম মঞ্জুর মামুনের সঙ্গে যোগযোগ করা হলে বলেন, আমাদের মত নি¤œ অক্ষাংশের দেশে এটি সাধারণত দেখা যায় না। তাই মানুষের মধ্যে এত কৌতুহল। মধ্যে অক্ষাংশ বা উর্ধ অক্ষাংশের দেশে এটি প্রায়ই দেখা যায়। তিনি আরো বলেন, এটিকে অনেকে অশুভ সঙ্কেত মনে করলেও এটি কোন খারাপ কিছু নয়, এটির বৈজ্ঞানিক নাম ‘হ্যালো’। এটি প্রবল বৃষ্টিপাত বা ঝড়ের লক্ষণও হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, উর্ধাকাশে মেঘ বা বরফের সুক্ষè কনা যখন সুর্যের অথবা চাঁেদর চারিদিকে থাকে তখন এ রকম বলয় বা হ্যালোর সৃষ্টি হতে পারে। তবে এটি রঙধনু নয়।