পুঠিয়ায় ফসলি জমির মাটি কেটে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির খাল ভরাট

আপডেট: জুন ১৭, ২০১৯, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

পুঠিয়া প্রতিনিধি


নাটোর পল্ল¬ী বিদ্যুৎ সমিতি-১ কর্তৃক টেন্ডারের মাধ্যমে রাজশাহীর পুঠিয়ায় ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন ছাড়াই পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। এতে এলকাবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলকাবাসী জানায়, পুঠিয়া উপজেলার গোবিন্দনগর বিলে সাইদুর রহমানের কৃষি জমিতে প্রায় ২ মাস থেকে ৩ টি ভেকু (এস্কেভেটর) দিয়ে পুকুর খনন করছে নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। একটি ভেকু মেশিন দিয়ে দিনরাত ফসলি জমি খনন করে পুকুর তৈরি করে দিচ্ছে। সেখানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ বিঘা ফসলি জমিতে এই কাজ চলছে। সেখানে ৮ টি ইঞ্জিন চালিত ট্রলি দিয়ে দিন-রাত মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে এলাকায় ধুলায় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। রাস্তা ঘাট নষ্ট হচ্ছে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রাজশাহী অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান জানান, পাবনার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এজেড অ্যান্ড আরটি রুপালী ট্রেডার্স টেন্ডারে এ কাজ পেয়েছে। কিন্তু সেখানে সাব-ঠিকাদার এই কাজ করছে। আর তারা কোথা থেকে মাটি আনছে সেটা জানি না। কিন্তু নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পুঠিয়া জোনাল অফিসের সাব জোন অফিসের খাল ভরাট করে ভবন নির্মাণ হবে।
নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পুঠিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম এসএম নাসির উদ্দিন জানান, মাটি ভরাট ও পুকুর খনন বিষয়টি নিবার্হী প্রকৌশলী রাজশাহীর অধীনে তাই বিষয়টি আমার জানা নাই। আর ফসলি জমি খনন করে খালে মাটি ভরাটের বিষয়টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জমির মালিকের বিষয়। এটা আমার জানা নাই।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নায়েব উদ্দিন জানান, এই পুকুর খনন থানার ওসি সাহেবের নির্দেশে হচ্ছে। আমরা এখন থেকে মাটি নিয়ে গিয়ে নাটোর পল¬ী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর পুঠিয়া জোনাল অফিসের সাব জোন অফিসের খাল ভর্তি করছি।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিল উদ্দিন আহমেদ জানান, এ বিষয়ে আমার জানা নাই। উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বলেন। তিনি ব্যবস্থা নেবেন। কেউ যদি আমার কথা বলে সেটা ঠিক বলেনি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ওলিউজ্জামান জানান, ফসলি জমিতে পুকুর খননের নিয়ম নাই। আর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যদি পল্ল¬ী বিদ্যুৎ সমিতির টেন্ডারে কাজ প্য় সেখানে তাদের মাটি ক্রয় করে দিতে হবে। বিষয়টি আমার জানা নাই। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ