পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূণের দাবিতে ব্যবসায়ী ও স্বর্ণকলি বিদ্যাসদনের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: জুন ১৮, ২০১৯, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি


এবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঈশ্বরদীর রূপপুর মোড়ের ¯¦র্ণকলি বিদ্যাসদন, মসজিদ, বাড়িঘরসহ প্রায় দুই শতাধিক ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান ও প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করার আগে পুর্নবাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন রূপপুর মোড়ের শত শত ব্যবসায়ী ও স্বর্ণকলি বিদ্যাসদন কর্তৃপক্ষ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রূপপুর মোড় দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ারুল ইসলাম বাবু। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বর্ণকলি বিদ্যাসদনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মনিরুল ইসলাম বাবু, পাকশী ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ছাইফুল আলম বাবু মন্ডল, যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম রাজা, পাকশী রেল শ্রমিক লীগের সভাপতি ইকবাল হায়দার, রূপপুর মোড় দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আফজাল হোসেন খোকন, কার্যকরি সদস্য আমিনুল ইসলাম, রূপপুর মোড় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জালাল উদ্দিন তপন, সাধারণ সম্পাদক রওশন আলম রনি, অর্থ সম্পাদক বাবর আলী, পাকশী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মজিবর রহমান সোহাগসহ রূপপুর মোড়ের ব্যবসায়ী আবুজর গিফারি চঞ্চলসহ রূপপুর মোড়ের ব্যবসায়ীরা। লিখিত বক্তব্যে রূপপুর মোড়ের মালিক, ব্যবসায়ী ও স্বর্ণকলি বিদ্যাসদন কর্তৃপক্ষ বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরুর প্রাক্কালে একটি অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান তার বক্তব্যে এলাকাবাসীকে আস্বস্ত করে বলেছিলেন ‘এই প্রকল্পের কারণে কোন আবাসন ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদ করা হবেনা।’ কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প সংলগ্ন রূপপুর মোড়ে রেল কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়ে রেলওয়ের পরিত্যক্ত অব্যবহৃত জমিতে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করার জন্য সম্প্রতি সেগুলো লাল রঙের ক্রস চিহ্ন এঁকে দেওয়া হয়েছে, এতে এলাকাবাসী হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। রূপপুর মোড়ে ২০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত স্বনামধন্য শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বর্ণকলি বিদ্যাসদন বছরের মাঝামাঝি সময়ে উচ্ছেদ করা হলে অধ্যয়নরত প্রায় ৬ শ শিশু শিক্ষার্থীরা শিক্ষা সংকটে পড়বে। সে কারণে ব্যবসায়ীরাসহ স্কুল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে উচ্ছেদ কার্যক্রম দেরিতে শুরু এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন ও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।