প্রধান শিক্ষকদের গেজেটেড কর্মকর্তা করতে রুল

আপডেট: অক্টোবর ১৫, ২০১৯, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


৩৬তম বিসিএসে দ্বিতীয় শ্রেণির (নন-ক্যাডার) কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশ না করা কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ের গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মনিরুল ইসলাম ও মো. সোহরাওয়ার্দী সাদ্দাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।
পরে ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, রিট আবেদনকারীরা ৩৬তম বিসিএসে অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন এবং নন-ক্যাডার দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। কিন্তু নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা, ২০১০ (সংশোধনী ২০১৪) এর বিধান অনুসারে দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির হলেও গেজেটেড পদ নয়। অন্যদিকে, ৩৬তম বিসিএসে (নন-ক্যাডার) অন্য প্রার্থীরা দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। কিন্তু রিটকারীদেরকে নন-গেজেটেড পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যা সমান অধিকারের পরিপন্থী। তাই মো. মাহবুব-উল-আলম, মিজানুর রহমান, জাকিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, আক্তারুজ্জামান, শামীম হোসেন, মাহমুদা আক্তারসহ ৭৪ জন হাইকোর্টে রিট করেন।
তথ্যসূত্র: রাইজিংবিডি