বগুড়ায় উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রচরণায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর হামলা: আহত ৯

আপডেট: জুন ১৮, ২০১৯, ১:০৮ পূর্বাহ্ণ

বগুড়া প্রতিনিধি


বগুড়ায় উপ-নির্বাচনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়-সোনার দেশ

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর প্রচারণায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্ততঃ ৯ জন আহত হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুর সোয়া একটায় সদর উপজেলায় শাখারিয়া ইউনিয়নের পাঁচবারীয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এঘটনায় উভয়পক্ষ একে অপরকে দোষরোপ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায, বগুড়া-৬ সদর আসনের উপ-নির্বাচনে মালয়েশিয়া প্রবাসী বিএনপি কর্মী মো. মিনহাজ মন্ডল স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এ কারণে তার ভাই শাখারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এখলাস লোকজন নিয়ে তার পক্ষে প্রচারণায় কাজ করে যাচ্ছে। সোমবার দুপুরে বিএনপির প্রার্থী গোলাম মো. সিরাজ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে মিনহাজের গ্রামে প্রচারণায় যায়। সেখানে মিনহাজের লোকজন বিএনপির প্রার্থীর প্রচারণায় বাধা দেয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে মিনহাজ¦ ও তার ভাই এখলাস এগিয়ে আসে। এসময় মিনহাজের সমর্থকরা হকিস্টিক ও লাঠি নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এসময় বিএনপি ৫ জন কর্মী আহত হয় এবং মিনহাজের সমর্থকরা দুটি মাইক্রোবাস ও ৪টি মোটর সাইকেল ভাঙচুর করে। পরে বিএনপি কর্মীরা তাদের উপর চড়াও হয়। এসময় বিএনপি কর্মীদের লাঠির আঘাতে মিনহাজের পক্ষের ৪ জন আহত হয়।
প্রচারণার বহরে থাকা বগুড়া সদর থানা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহম্মেদ খান রুবেল বলেন, স্থানীয় বিএনপি অফিসকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজ মন্ডল দখল করে নিয়ে তার আপেল মার্কার নির্বাচনি অফিস বানিয়েছে। এছাড়াও মিনহাজের ভাই এখলাস স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছেন না। প্রচারণায় মিনহাজের এলাকায় গেলে মিনহাজের নেতৃত্বে বিএনপির প্রচরণায় বাধার সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে হকিস্টিক ও লাঠি নিয়ে বিএনপির প্রচারণায় হামলা চালায়। ধানের শীষের কর্মী শ্রমিকদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, ছাত্রদল নেতা সিপাত আল আমিন, আরিফুর রহমান আরিফসহ ৫ জন আহত হয়েছে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজ মন্ডল জানায়, কোনো উস্কানি ছাড়াই ধানের শীষের কর্মীরা আমার নির্বাচনি অফিসে হামলা চালায় এবং পাঁচ বাড়িয়া গ্রামে লাগানো আপেল মার্কার পোস্টার-ব্যানার ছিড়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় আমার কর্মীরা বাধা দিলে সংর্ঘষ শুরু হয়। এতে আমার আপেল মার্কার ৪জন কর্মী আহত হয়েছে। এরমধ্যে মাসুদ ও সম্রাটকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় বেসরকার্নি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) রেজাউল করিম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে। বিএনপি অফিসকে আপেল মার্কার নির্বাচনি অফিস বানানো নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ