বগুড়ায় দুদকের মামলায় হাজিরা দিতে এসে লতিফ সিদ্দিকী কারাগারে

আপডেট: জুন ২১, ২০১৯, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

বগুড়া প্রতিনিধি


বগুড়ার জেলা জজ আদালতে দুদকের মামলায় হাজিরা দিতে এসে জামিন না মঞ্জুর হওয়ায় কারাগারে গেলেন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। গতকার বৃহস্পতিবার দিনের প্রথম ভাগে তিনি বগুড়া জেলা জজ ও সিনিয়র ষ্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকারের আদালতে হাজির হন। তার পক্ষে বগুড়া বারের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আল মাহমুদ, অ্যাডভোকেট নরেশ মুখার্জি, অ্যাডভোকেট হেলালুর রহমান বিচারকের কাছে জামিনের জন্য আবেদন জানালে বিচারক সরাসরি জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন। জামিন না মঞ্জুর হওয়ার পর তাকে সরাসরি বগুড়া জেল হাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ।
বগুড়া দুদকের আইনজীবী পিপি এসএম আবুল কালাম আজাদ মামলার বিবরণ দিয়ে জানান, বগুড়ার আদমদীঘী উপজেলার দারিয়াপুর এলাকায় বিজেসির নিয়ন্ত্রাধীন একটি ক্রয়কেন্দ্রসহ ২ একর ৩৮ শতক জমি ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে তৎকালীন পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী তার পুর্বপরিচিতা বগুড়ার জাহানারা রশিদকে কোনরকম টে›ডার প্রক্রিয়া ছাড়াই বিক্রির আদেশে স্বাক্ষর দেন। উল্লেখিত ক্রয়কেন্দ্রসহ বিক্রিত জমির ওই সময়ের বাজার মুল্য সরকারি এ্যাসেসমেন্ট অনুযায়ি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭শ’ ৯৫ টাকা হলেও তিনি মাত্র ২৩ লাখ ৪০ হাজার টাকায় তা’ বিক্রির আদেশ দেন। এর ফলে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ৪০ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। তৎকালীন পাটমন্ত্রীর এই দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের সংবাদ মিডিয়ায় আসার পর দুদক বিষয়টির অনুসন্ধান শুরু করে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর দুদকের বগুড়া শাখার এডি আমিনুল ইসলাম ২০১৭ সালের ১০ অকোটবর আদমদীঘী থানায় এব্যাপারে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করে এবছর ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি বিচারিক আদালতে মামলাটির চার্জশিট দাখিল করেণ। উল্লেখিত মামলায় জামিনের জন্য বৃহস্পতিবার আদালতে হাজিরা দিতে আসেন তিনি । আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠাবার আদেশ দেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ