বদলগাছীতে হাইব্রীড আউশ ধানের উৎপাদন মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে অতীতের রেকর্ড

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৮, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ

বদলগাছী প্রতিনিধি


বদলগাছীতে নিজের হাইব্রীড ধান খেতে কৃষক তোজাম্মেল হোসেন-সোনার দেশ

এবার বদলগাছীতে উন্নত মানের আউশ ধানের উৎপাদন মাত্রা অতিতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার বিলাশবাড়ী ইউপির বলরামপুর মিরপাড়ার কৃষক তোজাম্মেল হোসেন চলতি আউশ মৌসুমে ধানী গোল্ড নামে উন্নত হাইব্রীড জাতের ধান চাষ করে এলাকাবাসীকে অবাক করে দিয়েছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, রোপা আমন ধানের সবুজের সমারহে চতুর্দিকে ছেয়ে গেছে মাঠ। মাঠের মধ্যে বলরামপুর হতে শ্রীরামপুর সংযোগ সড়ক। সড়কের পশ্চিম দিক থেকে মাঠের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে পানি নিষ্কাশনের সোনা পাকিলা খাল। এই খালের পাশেই ১ বিঘা জমিতে ধানী গোল্ড নামে হাইব্রীড জাতের ধান চাষ করেছেন কৃষক তোজাম্মেল। চতুর্দিক আমন ধান তার মাঝে এই আউশ ধান মাথা হেলে দিয়েছে। ধান পাকতে শুরু করেছে। সড়ক থেকে দেখা যায় জমিতে যেন ধানের গোলা তৈরি হয়েছে। অনেক পথচারী আকৃষ্ট হয়ে ধান দেখার জন্য জমিতে নেমে যায়। অনেক পরিচর্যা ও খরচের মধ্য দিয়ে বোরো ধান চাষ করে কৃষক। বোরো ধানে বিঘা প্রতি ২০ মণ ধান উৎপাদন হলে সেটা হল বাম্পার ফলন। তবে কিছু উন্নত প্রজাতির ধান রয়েছে যা বিঘা প্রতি ২৫/৩০ মণ হারে ফলন হয়। বিনা খরচে অল্প পরিচর্যায় আউশ মৌসুমে বিঘা প্রতি যদি ৩০ মণ ধান উৎপাদন হয়ে তা কৃষকের সৌভাগ্য। তোজাম্মেল জানান, তিনি স্থানীয় এক বাজার থেকে হাইব্রীড ধানী গোল্ড বীজ সংগ্রহ করে চারা তৈরি করে ১ বিঘা জমিতে রোপণ করেন। তিনি আশাবাদী এবার ৩০ মন হারে ফলন হবে। আউশ মৌসুমে জমিতে তার ধান দেখে তিনি নিজেই আনন্দিত। উপজেলা কৃষি অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ১১৪৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধান চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রি-৪৮/ ব্রি-৫৫ জাতের ধান বেশি চাষ করা হয়েছে। ফলন হয়েছে ১৮/২০ মন। তবে ধানী গোল্ড ধান অনেক কৃষক চাষ করেছে ধানের ফলন ও খুব ভাল হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রাসরন কর্মকর্তা সালমা আকতার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাসান আলী বলেন আউশ ধান চাষ খুবই লাভ জনক। খরচ কম কিন্তু ফলন হচ্ছে ভাল। বাজারে ভাল দাম পাচ্ছে কৃষক।