বাঘা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স || টেকনিশিয়ান না থাকায় নষ্ট হচ্ছে ১৫ লাখ টাকার মেশিন

আপডেট: জুলাই ২২, ২০১৯, ১২:৩২ পূর্বাহ্ণ

বাঘা প্রতিনিধি


রাজশাহীর বাঘায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এখানে চিকিৎসার জন্য অপারেশান থেকে শুরু করে সব ধরণের যন্ত্রপাতি আছে। অথচ না করা হয় ছোট খাটো অপারেশান, না করা হয় কোন পরিক্ষা-নিরিক্ষা। কারণ এখানে নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক। নেই মেশিন চালানোর জন্য টেকনিশিয়ান। ফলে দীর্ঘ দিন থেকে পড়ে আছে ১৫ লাখ টাকার আল্টাসোনোগ্রাফী মেশিন। অপর দিকে ফ্লিম না থাকায় অকেজ হতে বসেছে এক্স-রে মেশিন।
গত শনিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভাকক্ষে রোগীদের মানসম্মত সেবা প্রদান শীর্ষক সেমিনারে এমনটি বক্তব্য উপস্থাপন করেন সভার সভাপতি ও টিএইচএ ডাক্তার সিরাজুল ইসলাম।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. লায়েব উদ্দিন লাভলু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাঘা পৌরসভার মেয়র আবদুর রাজ্জাক। উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ও শিক্ষক প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ ।
সভার সভাপতি ডাক্তার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ৫০ শয্য বিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি পরিচালনার জন্য ২৭ জন ডাক্তার আবশ্যক। অথচ আছে মাত্র দু’জন। এ কারণে রোগীদের কাক্সিক্ষত সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। অপর দিকে এক্স-রে মেশিন থাকলেও গত দুই মাস ধরে ফ্লিম নেই। একটি মাত্র অ্যাম্বুলেন্স সব সময় উপজেলা থেকে জেলা শহরে রোগী বহনে ব্যস্ত থাকে। এখানে ১৫ লাখ টাকা দামের নতুন একটি আল্টাসোনোগ্রাফী মেশিন থাকলেও টেকনিশিয়ান না থাকায় সেটি প্যাকেট বন্দী হয়ে পড়ে রয়েছে। এখানে ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হলেও প্রভাব খাটিয়ে তারা অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যান। জরুরী বিভাগে রোগী এলে নরমাল রেগিীকেও শহরে রেফার্ড করা হয়। এতে করে মারাত্মক বিড়ম্বনা ও হয়রানীর শিকার হতে হয় এ অঞ্চলের রোগীদের। মাঝে মধ্যে দু’একজন ডাক্তারকে এখানে পোস্টিং দেয়া হলেও তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টারে থাকেন না।
সভার প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর মাধ্যমে ইতোমধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তার সল্পতার বিষয়ে অবগত করেছেন। খুব শীর্ঘই এর সমাধান হবে বলে তিনি জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ