বেড়েছে সবজি, অপরিবর্তিত মাংস ও মাছের দাম

আপডেট: জানুয়ারি ১৩, ২০১৮, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর আসাম কলোনী বৌবাজার থেকে তোলা-সোনার দেশ

রাজশাহীর বাজারে বেড়েছে সবজির দাম। সবজিতে গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে বেড়েছে পাঁচ থেকে সাত টাকা। বাজারে তুলনামূলক ভাবে বেগুনে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা। এছাড়া পেঁয়াজের দাম না বাড়লেও মরিচে ১০ থেকে ১২ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। সবজি ব্যবসায়ীরা বলছে, বাজারে হাঠৎ করে সবজি সরবরাহ কম তাই দাম একটু বেশি। পর্যাপ্ত সবজি বাজারে সরবরাহ থাকলে আবার দাম অনকেটাই কমে যাবে।
এছাড়া বাজারে মাংস ও মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে মাংস ক্রেতারা বলছে, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দামে গরু-মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে। আশে-পাশের এলাকায় মাইকিং করে ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছে। আর সাহেব বাজারে ৪০০ থেকে ৪৪০ টাকা দরে কেউ কেউ বিক্রি করছে।
গতকাল শুক্রবার নগরীর বিনোদপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী বিক্রেতা মো. শাহিন বলেন, বাজারে প্রতিকেজি আলু ২০ থেকে ২৪ টাকা, পেঁপে ১৫ টাকা, পটল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ঠেঁরস ৩০ টাকা, প্রতি হালি লেবু ১৫ থেকে ২০ টাকা, প্রতিকেজি মিষ্টি কুমড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা, প্রতি পিস লাউ ১৫ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হয়।
এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, ফুলকপি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৬০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, পাতা কপি প্রতিটি ১৫ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, সিম ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পুই শাক ২০ টাকা, আদা ১০০ টাকা, রসুন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজি ক্রেতা আসমা রহমান জানান, কয়েকদিন থেকে সবজির দাম অনেক বেড়েছে। ২০ থেকে ৩০ টাকার বেগুন ৪০-৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলু বাদে সব সবজির দাম বেশি।
নগরীর সাহেববাজার মাছ আড়তের মাছ ব্যবসায়ী মমিন জানান, প্রতিকেজি রুই ২২০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতল মাছ ২৫০ থেকে ২২০ টাকা, পুটি ১৬০ থেকে ২০০ টাকা গ্লাসকাপ ২০০ থেকে ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, কই মাছ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, মিরকা মাছ ১৬০ থেকে ১৩০ টাকা, জাপানি ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়।
মাছ কিনতে আসা আবদুর রহমান বলেন, সবজির তুলনায় মাছের দাম কমই আছে। সবজিচ খাওয়া বাদে মাছ খাওয়াই ভালো। কিছু মাছ ছাড়া সব মাছের দাম আগের মতই রয়েছে।
এদিকে নদীর প্রতিকেজি ইলিশ ৮০০ থেকে হাজার, কাটা পাতাসি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, জিওল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, আইড় ৮০০ থেকে ৫০০ টাকা, বাইম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, বোয়াল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, টেংরা ৪০০ থেকে ২৮০ টাকা, বাঁশপাতা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, পাবদা ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি মাগুর ৬০০ টাকা ও ময়া মাছ ২৮০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়।
গরুর মাংস বিক্রেতা আবদুল বলেন, প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৪০ টাকা এবং খাশির গোশত ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়। এদিকে মুরগি ব্যবসায়ীরা বলেন, ব্রয়লার মুরগি ১১০ ও ১১৫ টাকা, দেশি মুরগি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, সোনালী ১৯০ টাকা। এছাড়া প্রতিহালি মুরগির ডিম ২২ থেকে ২৬ টাকায় বিক্রি হয়।

Don`t copy text!