বড়াইগ্রামে দু’টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০১৯, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ

বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি


নাটোরের বড়াইগ্রামে দু’টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে ইউএনও আনোয়ার পারভেজ অভিযান চালিয়ে বাল্যবিয়ে দুটি বন্ধ করেন । একটি স্কুলছাত্রী লিপি খাতুন (১৪) অপরটি কলেজ ছাত্রী মাহমুদা নাসরিন মিনা (১৬)। লিপি উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের কুমরুল উত্তরপাড়া এলাকার লিয়াকত আলীর মেয়ে এবং বনপাড়া বেগম রোকেয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যায়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। আর মিনা উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের মাঝগাঁও গ্রামের মজিবুর রহমানের মেয়ে এবং বনপাড়া শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
ইউএনও আনোয়ার পারভেজ বলেন, বুধবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি কুমরুল উত্তরপাড়া এলাকার লিয়াকত আলীর মেয়ে লিপি খাতুনের সঙ্গে একই ইউনিয়নের আহম্মেদপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে ইলেকট্রিশিয়ান রিমন আলীর (১৮) বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। পরে গ্রাম পুলিশ মাধ্যম আবুল কাশেম ও রিমন আলীকে ডেকে এনে এ বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দিলে তারা মুচলেকা দিয়ে বিয়ে বন্ধ করেন।
অপরদিকে মাঝগাঁয়ে বাল্যবিয়ে হচ্ছে এমন খবরে কনের বাড়িতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। এসময় বিয়ে উপলক্ষে স্বজনদের ভোজসভা চলছিল। পরে কনের বাবা নিজের ভুল বুঝতে পেরে সকলের সামনে ক্ষমা চেয়ে এবং মুচলেকা দিয়ে বিয়ে বন্ধ ঘোষণা করেন।
ইউএনও আরো বলেন, বাল্যবিয়ে সমাজের একটি অভিশাপ, এর ফলে একটি মেয়ে তথা একটি পরিবার ও একটি সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই কঠোর হস্তে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হবে। তিনি উপজেলার যেকোন প্রান্তে বাল্যবিয়ে খবর থাকলে মোবাইল মাধ্যম জানানোর আহ্বান জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ