‘ভর্তি জালিয়াতি রোধে কঠোর রাবি প্রশাসন’

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ১:৫০ পূর্বাহ্ণ

ওয়াসিফ রিয়াদ, রাবি


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর। ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ জালিয়াতি রোধে আগাম ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এবার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে বলে দৈনিক সোনার দেশকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান।
জালিয়াতি রোধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, এখন থেকেই প্রশাসন এ বিষয়ে চিন্তা ভাবনা শুরু করেছে। ক্যাম্পাসে গোয়েন্দাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধিসহ নানা পদক্ষেপ হাতে নেয়া হয়েছে। জালিয়াতি চেষ্টার কোনো তথ্য পেলেই আমরা গোয়েন্দাদের অবহিত করবো। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। যে কোনো পরিস্থিতিতেই এ ধরনের ঘটনা শক্ত হাতে দমন করতে প্রশাসন সর্বদা প্রস্তুত।
ভর্তি জালিয়াতি রোধে কাজ শুরু করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঢাকার গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আমার যোগাযোগ হয়েছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সকল প্রকার সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। এখন থেকেই সাদা পোশাকধারী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকেরা মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। আমরা যে কোনো তথ্য পেলে উপর মহলে জানাবো। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশাসন এ ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনবে।
জালিয়াতির প্রমাণ পেলে কী ধরনের শাস্তির হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সাথে যারা জড়িত ছিলো, তাদের উপযুক্ত প্রমাণসহ হাতে নাতে ধরে বিচারের আওতায় নেয়া হয়েছিলো। এবারও যদি কেউ প্রশ্ন ফাঁসের সাথে কোনোভাবে জড়িত থাকে তাহলে তাদের একইভাবে বিচারের আওতায় আনা হবে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো নির্দেশনা আছে কিনা জানতে চাইলে প্রক্টর বলেন, ভর্তিচ্ছুর পরিবার যেন কোনো জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের খপ্পরে না পরেন। এসব চক্রের সন্ধান পেলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। এক্ষেত্রে অবশ্যই তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও নিশ্চয়তা দেন তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ