ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে সিবিআই এর মামলা

আপডেট: জুন ২৩, ২০১৯, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (সিবিআই) দেশটির বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভান্ডারি এবং সুইজারল্যান্ডভিত্তিক উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পাইলেটাস এয়ারক্রাফট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনডিটিভির এক অনলাইন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সিবিআইয়ের অভিযোগ, ২০০৯ সালে বিমান বাহিনীর জন্য ৭৫টি বেসিক প্রশিক্ষণ বিমান কেনার সময় তারা অনিময় করেছে। অনিয়ম হওয়া ওই বিমান ক্রয়ে ৩৩৯ কোটি রুপি তছরুপ হয়েছে।
গত শুক্রবার এই অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভান্ডারিসহ অন্যান্যদের মালিকানায় থাকা সম্পত্তি জব্দ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। সিবিআই এর কর্মকর্তারা বলছেন, আরও বেশ কিছু স্থানে এমন অভিযান অব্যাহত রাখবে তারা।
সিবিআই এর দাখিল করা এফআইআরে ভারতের অফসেট ইন্ডিয়া সল্যুশন প্রাইভেট লিমিটেডের নামও রয়েছে। ওই কোম্পানিটির মালিক দক্ষিণ দিল্লির পঞ্চশীল পার্কের অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভান্ডারি। সুইজারল্যান্ডে তৈরি প্রশিক্ষণ বিমান কেনার ক্ষেত্রে ভান্ডারির কার্যক্রম নিয়ে প্রথমবার তদন্ত শুরু ২০১৬ সালের জুনে।
ভান্ডারির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে লন্ডনে বেনামে অথবা ব্যবসায়ী রবার্ট ভদ্রের নামে বাড়ি কেনার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত কর্মকর্তারা ভান্ডারির কোম্পানি অফসেট ইন্ডিয়া সল্যুশনস প্রাইভেট লিমিটেডের প্রকৃত ব্যবসা কী তা খতিয়ে দেখছে।
প্রশিক্ষণ বিমানগুলো কেনা হয় ভারতের বিমান বাহিনীতে নতুন যেসব ক্যাডেট যোগ দেন তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার লক্ষ্যে। এইচটিপি-৩২ কারিগরি ত্রুটির কারণে বারবার উড্ডয়নে বিঘœ ঘটায় ভারতীয় বিমানবাহিনী সুইজারল্যান্ডের তৈরি পিসি-৭ এমকে-২ মডেলেরের বিমানগুলো ক্রয় করে।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ক্ষমতায় থাকার পাইলেটাস এয়ারক্রাফট নামে সুইজারল্যান্ডের উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানির সঙ্গে ৭৫টি প্রশিক্ষণ বিমান কেনার জন্য ২ হাজার ৮৯৬ কোটি রুপির একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ