ভালবাসায় সিক্ত কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৮, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


হাসান আজিজুল হকের ৭৯তম জন্মদিনে বিভিন্ন সংগঠন আয়োজিত রবীন্দ্র সঙ্গীত অনুষ্ঠান-সোনার দেশ

শুক্রবার বিকালে বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের জন্মদিন পালন করা হয়। বিকেলে বাড়িতে গিয়ে হাজির হন কবি আর সাংস্কৃতিক কর্মীরা। কারও হাতে ফুল, কারও হাতে ফল এবং কারও কাছে সন্দেশ, কারো হাতে কেক। নগরীর চৌদ্দপায়ায় বিশ্ববিদ্যালয় হাউজিং সোসাইটির (বিহাস) ভেতরে কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হকের বাড়িতেই শুরু হয় তার ৭৯তম জন্মদিন উদযাপন। কবিকুঞ্জ, রাজশাহী থিয়েটার, জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, উদিচী ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সদস্যরা এই আয়োজন করে। হাসান আজিজুল হকের ‘উজান’ নামের এই বাড়িটিতে ঢোকার আগে মঞ্চের মতো ছোট একটা জায়গা। সেখানেই টানানো হলো কথাশিল্পীর ছবি সংবলিত একটি ব্যানার। বাড়ির ভেতর থেকে ছোট একটা টেবিল এনে সেখানে রাখা হলো কেক। এতো আয়োজন দেখে চমকে গেলেন হাসান আজিজুল হক। তার মেয়ে তো বলেই বসলেন- ‘আপনারা আসবেন- তো একটা খবর দেবেন না!’ বাড়িতে এতো মানুষ দেখে খুশি হাসান আজিজুল হক। জন্মদিনে একে একে সবার শুভেচ্ছা গ্রহণ করলেন তিনি। কবিকুঞ্জের পক্ষ থেকে দেয়া হলো এক ঝুড়ি লাল গোলাপ। শুভেচ্ছা গ্রহণ শেষে সবাইকে নিয়েই কেক কাটলেন হাসান আজিজুল হক। সঙ্গে সঙ্গে সবাই গেয়ে উঠলেন-‘হে নুতন, দেখা দিক আরবার; জন্মেরও প্রথমও শুভক্ষণ…।’ হাসান আজিজুল হক সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘জীবনে অনেকগুলো দিন মনে থাকবে। তারমধ্যে আজকের দিনটিও মনে থাকবে। ভালো লাগছে এক দিনে এতো চেনা মানুষকে এক সঙ্গে দেখছি। সবই প্রিয়মুখ। আমার জন্মদিনটা সবার মনে আছে দেখেও ভালো লাগছে। মনে রাখার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা।’
এ সময় সবার পক্ষ থেকে বক্তব্য দিলেন রবীন্দ্র গবেষক অধ্যাপক সনৎ কুমার সাহা। তিনি বললেন, হাসান আজিজুল হকের নামটা এখন শুধু বাংলাদেশেই নয়, দেশের বাইরে সর্বত্র একটা শক্ত পরিচিতি গড়ে উঠেছে। জন্মদিনে তাকে আমরা শুভকামনা জানাই। হাসান আজিজুল হকের সৃষ্টিশীলতা তার জীবনকে আরও পরিপূর্ণ করবে, তাকে এগিয়ে যাওয়ার আরও প্রেরণা দেবে।
বক্তব্য শেষ হলে জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের জেলা শাখার শিল্পীরা একক ও সমবেত কণ্ঠে কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হককে গান শোনান। কবিকুঞ্জের সভাপতি রুহুল আমিন প্রামানিক, সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক কুমার, উদিচীর সভাপতি আলমগীর মালেক, রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের সচিব প্রফেসর তরুণ কুমার সরকারও রবীন্দ্র সংগীত উপভোগ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ