ভুবন মোহন পার্ক শহিদ মিনারে ধুমপান আড্ডা অবমাননাকর তৎপরতা বন্ধ করবে কে?

আপডেট: February 13, 2020, 1:06 am

নগরীর ভুবন মোহন পার্ক শহিদ মিনাটি অবহেলিত হচ্ছে, অমর্যাদা-অবমাননার শিকার হচ্ছে। দৈনিক সেনার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে শহিদ মিনারের অবহেলা ও অমর্যাদার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং অনাকাক্সিক্ষত।
পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ওই শহিদ মিনারের উপর বসে চলে ধুমপান, আড্ডাবাজি। অনেকেই বিশ্রামের জায়গা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন শহিদ মিনারের পাদদেশ। তাতে কোনো আপত্তির কথা ছিল না- যদি শহিদ মিনারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের মত ঘটনা না ঘটতো। কিন্তু বিষয়টি এখানেই থেমে নেই। যারা শহিদ মিনারের বেদির উপর আড্ডা দিচ্ছেন তারা জুতা-স্যান্ডেল পরেই উঠছে এবং সেখানে ধুমপান করছে। এটা খুবই দৃষ্টিকটূ এবং ওই শহিদ মিনারের জন্যও সেটি অবমাননাকর।
নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ভুবন মোহন পার্ক শহিদ মিনারের সংস্কার কাজ চলমান আছে। স্বাভাবিকভাবেভাবেই বাধামুক্ত পরিবেশ। যে যেমনভাবে ইচ্ছে শহিদ মিনারের বেদিতে জুতা-স্যান্ডেল পরেই উঠে যাচ্ছেন, ধুমপান করছেন। যারা এটি করছেন তাদের চেতনার স্তর যে খুবই নিম্ন তা বলাই বাহুল্য। কিন্তু বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকা বাঞ্ছনীয়। শহিদ মিনারের ভাবমূর্তি রক্ষা করা তাদেরই দায়িত্ব। তবে সিটি করপোরেশন বলছে- শহিদ মিনারের ভাবমূর্তি রক্ষা করা সকলেরই দায়িত্ব।
রাজশাহী মহানগরীতে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার নেই। রাজশাহী কলেজ শহিদ মিনারের পরেই ভুবনমোহনপার্ক শহিদ মিনোরের গুরুত্ব। মাহান একুশে, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ইত্যাদি দিবস সমূহে বিপুল সংখ্যক মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এই শহিদ মিনারে। বর্তমানে ভাষার মাস ফেব্রƒয়ারি চলমান। আর মাত্র ৮ দিন পরেই মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। জাতি বিনম্র চিত্তে বায়ান্নর ভাষা শহিদদের স্মরণ করবে। কিন্তু তার আগেই নগরীর একটি গুরুত্বপূর্ণ শহিদ মিনারের অবমাননাকর পরিস্থিতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইÑতারা যেন শহিদ মিনারের অবমাননাকর পরিস্থিতি উত্তরণে ভূমিকা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ