মহাদেবপুরে আধুনিক পদ্ধতিতে চিনি আতপ ধান চাষে অধিক ফলন

আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০১৭, ১:২৯ পূর্বাহ্ণ

এম সাখাওয়াত হোসেন, মহাদেবপুর


মহাদেবপুরের রাইগাঁ ইউপির কুন্দনা মাঠে কৃষক রায়হান আলীর এক বিঘা জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে চিনি আতপ ধান চাষের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়

নওগাঁর মহাদেবপুরে মাঠে মাঠে চিনি আতপ ধানের ব্যাপক চাষ হলেও আধুনিক পদ্ধতিতে চিনি আতপ ধান চাষে কৃষকের নজর কেড়েছে। চলতি মৌসুমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট ও বায়ার কম্পানি যৌথভাবে উপজেলার রাইগাঁ ইউপির কুন্দনা মাঠে কৃষক রায়হান আলীর এক বিঘা জমিতে আধুনিক পদ্ধতিতে চিনি আতপ ধান চাষের প্রদর্শনী করে। অন্য স্বাভাবিক চিনি আতপ চাষের জমির চেয়ে প্রদর্শনীর প্রতি বিঘায় সাড়ে তিন মণ ধান অধিক ফলন পেয়েছে।
বর্তমান চাষ পদ্ধতিতে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে মোট ৯ হাজার ৩শ হেক্টর জমিতে চিনি আতপ ধান চাষ হয়েছে । যা মোট আমন ধানের শতকরা ৩৪ ভাগ। গত মঙ্গলবার বিকেলে ওই মাঠের জমিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট রাজশাহী শাখার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম ও বায়ার প্রতিনিধি হিসেবে ঢাকা অফিসের মার্কেটিং ম্যানেজার খন্দকার ফরিদ উদ্দিন, রাজশাহী রিজিয়ন বিজনেস ম্যানেজার জাহিদুল ইসলাম, বিজনেস ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার সনজিত সরকার ও নওগাঁর সিনিয়র টেরিটরি অফিসার শাহদাত হোসেনসহ এলাকার ৫০জন কৃষকের উপস্থিতিতে ধান কাটা মাড়াই করা হয়। পাশের স্বাভাবিক পদ্ধতিতে মাঠের সেরা ১বিঘা জমিতে ১০মন ধান হয়েছে। পক্ষান্তরে বায়ার কম্পানি ও ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের যৌধভাবে প্রদর্শনীর ১বিঘা জমিতে সাড়ে ১৩মন চিনি আতপ ধান হওয়ায় এলাকার কৃষকের মধ্যে দারুণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রদর্শনীতে আসা এলাকর কৃষকগণ আগামী মৌসুমে আধুনিক পদ্ধতিতে আতপ ধান চাষ করবেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একে এম মফিদুল ইসলাম জানান, আধুনিক পদ্ধতিতে চিনি আতপ ধান চাষ করলে অল্প জমিতে অধিক ধান পাওয়া যাবে।
এবিষয়ে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট রাজশাহী শাখার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. রফিকুল ইসলাম জানান, বর্তমান সময় উপযোগী আধুনিক পদ্ধতিতে সঠিক ভাবে চিনি আতপ ধান চাষ করলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক দুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।