মহাসড়কে খানাখন্দ ও গর্ত, ভোগান্তিতে ঘরমুখি মানুষ

আপডেট: আগস্ট ৯, ২০১৯, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


ঈদে ঘরমুখি মানুষের বাড়ি ফেরা নির্বিঘ্ন করতে সড়ক ও জনপথ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ছিলো ঈদের আগেই মহাসড়কের সংস্কার কাজ শেষ করতে। কিন্তু ঈদের দুই দিন বাকি থাকলেও রাজশাহী অঞ্চলের খানাখন্দ সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ শেষ করতে পারেনি সড়ক ও জনপথ অধিদফতর। ফলে ভোগান্তি সয়েই যাত্রীদের বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদফতর বলছে, রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁয় বড় ধরনের কোনো খানাখন্দ নেই। তবে সিরাজগঞ্জে দীর্ঘ যানজটের কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁবাসীদের। আর রাজশাহী অঞ্চলের মহাসড়কে যেটুকু খানাখন্দ আছে তা-ও ঈদের আগেই সংস্কার করে ফেলা হবে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সিরাজগঞ্জে ব্যাপক খানাখন্দ থাকায় ঈদে ঘরমুখি মানুষের ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে যানজট। সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল পার হলে ভোগান্তি কিছুটা কমলেও মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দ ও গর্ত থাকায় ঢাকা-রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ কিংবা নাটোর-বগুড়া ও নওগাঁ মহাসড়কে এসেও যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এর মধ্যে নাটোরের বনপাড়া ও সিংড়ায় মহাসড়কে খানাখন্দ ও গর্ত রয়েছে। বনপাড়া বাইপাস চত্বরেও গভীর খানাখন্দ রয়েছে। বৃষ্টির মধ্যেই জোড়াতালি দিয়েই গর্তগুলো সংস্কার করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও সেখানে সংস্কার কাজ হয়েছে। এছাড়া নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের সিংড়াতে গভীর খানাখন্দ রয়েছে। বিশেষ করে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের অবস্থা যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী। রাজশাহীর পুঠিয়ায় ও রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মোহনপুরের কেশরহাটের কাছে মহাসড়কের অবস্থা খুবই নাজুক। এখনো পিচ ঢালাই দেয়া সম্ভব হয়নি ওই মহাসড়কে। পুঠিয়ার বানেশ্বর বাজার, বিড়ালদহ ও পুল্লাপুকুরেও খানাখন্দ ও গর্ত রয়েছে। যাতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। এছাড়া নওগাঁর মহাদেবপুর থেকে নজিরপুর পর্যন্ত রাস্তায় খানাখন্দ ও মাঝে মাঝে গর্ত তৈরি হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের রাজশাহী-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ইউনুস আলী জানান, রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের দুই কিলোমিটার রাস্তা পিচ ঢালাই দেয়া সম্ভব হয়নি। ঈদের আগেই তা সম্ভব হবে। এছাড়া মহাসড়কের কোথাও কোনো সমস্যা নেই।
সওজের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ সানজিদা আফরীন ঝিনুক জানান, রাজশাহীর বানেশ্বর বাজার, বিড়ালদহ ও পুল্লাপুকুর এলাকায় মহাসড়কে খানাখন্দ ও গর্ত আছে। আমরা তা সংস্কার করছি।
নাটোর সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী এএইচএম জাবেদ পাটওয়ারী জানান, নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের তিন কিলোমিটার পিচ ঢালাই দিতে হবে। বৃষ্টির কারণে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। যখন বৃষ্টি থাকছে না তখন পিচ ঢালাই দিতে হচ্ছে। এছাড়া কোথাও মেজর কোনো সমস্যা নাই। বনপাড়ায় মহাসড়কের কিছু জায়গায় পিচ উঠে গিয়েছিলো তা মেরামত করা হয়েছে।
সওজের নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হামিদুল হকও বলেন, নওগাঁয় মহাসড়কে বড় কোনো ধরনের সমস্যা নাই। যা আছে সেগুলো সংস্কার করা হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ