মামলা প্রত্যাহারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম রাবি ছাত্রলীগের

আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ

রাবি সংবাদদাতা


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়াসহ সাত জনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে রাবি ছাত্রলীগ। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে এ আল্টিমেটাম দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি একটি ঘটনায় চুরি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে রাবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়াসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আমরা এই মামলার ঘটনাকে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে ক্যাম্পাসের আম, লিচু খাবার অধিকার সবারই আছে। এসব ঠুনকো বিষয় নিয়ে যারা মামলা করেছে তারা স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র।
গোলাম কিবরিয়া আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৩ হাজার শিক্ষার্থীর অভিভাবক। বিভিন্ন সময় শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে সর্বদা এগিয়ে আসেন তিনি। ছাত্রবান্ধব সকল কর্মকাণ্ডে গোলাম কিররিয়ার নেতৃত্ব দিতেন সবসময়। কিন্তু আজ তাঁর বিরুদ্ধে ঠুনকো বিষয়কে কেন্দ্র করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’
বক্তারা আরোও বলেন, রাবি শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি গোলাম কিবরিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত ও শিক্ষার্থীবান্ধব রয়েছে। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করা হয় তাহলে ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণায় আগুন জ্বলবে- এই শান্ত পরিবেশ অশান্ত করে তুলবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
রাবি শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি কাজী লিংকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিশু, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লাহ্ গালিব, সহ-সম্পাদক সুমন আহমেদ শানসহ সংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী।
প্রসঙ্গত, রাবি শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়াসহ সাত জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও লিচু চুরির মামলা দায়ের করা হয়েছে। মহানগরীর হেতেমখা এলাকার আব্দুল্লাহ ইবনে মনোয়ার নামের এক ব্যক্তি বাদি হয়ে রাজশাহী সিএমএম আদালতে গত ১৫ মে এ মামলা দায়ের করেন। আগামী ১৬ জুলাই আসামীদের আদালতে হাজিরার জন্য ডাকা হয়েছে।
ছাত্রলীগ সভাপতি গোলাম কিবরিয়াসহ মামলার অন্য পাঁচ আসামী হলেন, সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, আইন বিভাগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান আলী, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কানন, উপ আন্তজার্তক বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান আশিক ও কর্মী মেহেদী হাসান বিজয়। এছাড়াও ক্যাম্পাসের বহিরাগত কিন্তু ছাত্রলীগ সভাপতির কক্ষে থাকেন মো. আকাশ নামের একজনকেও এই মামলায় আসামী করা হয়েছে।