মার্চ মাস জুড়ে জেলা প্রশাসনের কর্মসূচি

আপডেট: মার্চ ১, ২০১৯, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


cÖ¯‘wZg~jK mfvq e³e¨ iv‡Lb †Rjv cÖkvmK GmGg Avãyj Kv‡`i-†mvbvi †`k

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ, ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মজয়ন্তী, ২৫ মার্চ গণহত্যাদিবস এবং ২৬ মার্চ স্বাধীনতা জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজশাজী জেলা প্রশাসন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। গতক্ল বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি কমিটির সভায় এই কর্মসূচি নেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের। গৃহীত কর্মসূচিসমূহ রাজশাহী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পালিত হবে। সভা থেকে এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সমন্বয় করে দিবস সমূহ পালনের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে ওইদিন মাইকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ও মুক্তিযুদ্ধের প্রামাণ্য চিত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের পুস্তক ইত্যাদি প্রদর্শিত হবে।
১৭ই মার্চ
১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মজয়ন্তী এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছেÑ ১৬ মার্চ শিশু একাডেমিতে চিত্রাঙ্কন, রচনা ও উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন ১৭ মার্চ নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে সকাল সাড়ে ৯টায় শিশু সমাবেশ এবং র‌্যালি শিল্পকলা একাডেমি পর্যন্ত। শিল্পকলা একাডেমিতে সকাল ১০ টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ১০:১৫ টায় একাডেমি মিলনায়তনে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরষ্কার বিতরণী।
এ ছাড়াও জেলার প্রতিটি মসজিদে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বিভিন্ন গির্জা ও মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। মসজিদ ভিত্তিক কর্মসূচি নিশ্চিত করার জন্য ইসলামিক ফাইন্ডেশনের প্রতিনিধিকে অনুরোধ জানান হয়। যে সব মসজিদ কর্মসূচি পালনে ব্যর্থ হবে তাদের তালিকা জেলা প্রশাসনে দেয়ার জন্য বলা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গণহত্যা দিবস
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের কর্মসূচির মধ্যে আছেÑসকল স্কুল ও মাদ্রাসায় গণহত্যা দিবস সম্পর্কিত স্মৃতিচারণ মূলক আলোচনা, গণহত্যার আলোকচিত্র প্রদর্শন, গীতিনাট্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা ৭ টায় নগরীর বধ্যভূমি সমূহে একযোগে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হবে। এ ছাড়াও গণহত্যা দিবস স্মরণে রাত ৯:০০ থেকে রাত ৯:০১ চা পর্যন্ত এক মিনিট ব্লাকআইট (অন্ধকার) কর্মসূচি পালিত হবে।
স্বাধীনতা দিবস
২৬ মার্চ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি- বেসরকারি অফিস- আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসাবাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। দিবসের প্রথম প্রহরে ১২:০১ মিনিটে ৩১ বার তোপধ্বনীর মাধ্যমে দিবসের সূচনা হবে। রাতে বিভিন্ন ভবন আলোকসজ্জিত করা হবে। কুচকাওয়াজ, মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা ও প্রীতি ভোজ, আলোচনা সভা ও প্রীতি ফুটবলের আয়োজন করা হয়েছে। ১Ñ২৫ মার্চ পর্যন্ত স্কুল সমূহে মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত হয়ে তাদের মুক্তিযুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা শিক্ষার্থীদের শোনাবেন। এছাড়াও স্বাধীনতা দিবসে বিভিন্ন এতিমখানায় উন্নত খাবার পরিবেশন করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ