মালয়েশিয়াসহ বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গ : কিছু পরামর্শ

আপডেট: জুন ১০, ২০১৯, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

ড. এএইচএম জেহাদুল করিম


বেশ কিছুদিন যাবৎ শ্রমিক নেয়ার ব্যাপারে শিথিলতা কাটিয়ে, মালয়েশিয়ার শ্র বাজারে পুনরায় বাংলাদেশি শ্রমিক প্রবেশের বিষয়ে অতি সম্প্রতি বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শিল্পোন্নত অর্থনীতির এই দেশটি। মালয়েশিয়া সফররত বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জনাব ইমরান আহমদের সাথে অতিসম্প্রতি এক বৈঠকের পর মালয়েশিয়ার মানব সম্পদমন্ত্রী তানশ্রী কুলসেগারান এই তথ্য প্রদান করেছেন। এটি অবশ্যই স্বীকার করতে হবে যে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগে মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক মালয়েশিয়ার উন্নয়ন গতিময়তার নেতা ড. মাহাথীর মোহাম্মদের বিশেষ আনুকুল্য সেখানে ভীষণভাবে কাজ করেছে। মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিকের বর্তমান সংখ্যা নিঃসন্দেহে ৮/১০ লাখেরও বেশি এবং এদের মধ্যে প্রায় সকলেই মালয়েশিয়ার অর্থনীতিকে সচল রাখার নিমিত্তে বিভিন্ন সেক্টরে তাদের অবিচল শ্রম প্রদান করে যাচ্ছেন। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে কর্মরত শ্রমিকদের প্রেরিত অর্থই আমাদের দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে অত্যন্ত গতিশীল ও প্রাণবন্ত করে রাখছে। অর্থনীতিবিদদের পর্যালোচনায় জানা যায় যে, বাংলাদেশের জিডিপির ১২ শতাংশেরও অধিক আসে মূলত প্রবাসী রেমিটেন্সের উৎস থেকে, যা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।
তবে এটি অনস্বীকার্য যে মালয়েশিয়াসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিক ভাইয়েরা মূলতঃ কনস্ট্রাক্শন সেক্টর ও নির্মাণ শ্রমিক হিসাবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকেন। এরই ফলশ্রুতিতে, এসব শ্রমিকেরা প্রায়শঃই নানাবিধ অসুস্থতা এবং দুর্ঘটনায় পতিত হন এবং সেই সাথে তাদের মধ্যে অন্যান্য শারীরিক অক্ষমতা তৈরি হয়। মূলতঃ এটি নিঃসন্দেহে স্বীকার করতে হবে যে, অতিরিক্ত পরিশ্রম ও শারীরিক চাপ নেবার কারণেই বিভিন্ন সময়ে এরা বিদেশে গুরুতর অসুস্থতার সম্মুখিন হয়ে থাকেন। মালয়েশিয়ায় যেসব অভিবাসিত শ্রমিকেরা ভারী কাজসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করে থাকেন মালয়েশিয়ায় অধ্যাপনা করার সময়ে আমি তাদের উপর বেশ কয়েকটি গবেষণার ভিত্তিতে, এটি লক্ষ্য করেছি যে এইসব অভিবাসিত শ্রমিকেরা প্রায়শই নানাবিধ রোগে ভুগে থাকেন যা অল্প সময়েই চিকিৎসা করা সম্ভব এবং এগুলো সহজেই নিরাময়যোগ্য। কিন্তু এইসব শ্রমিকেরা কর্মক্ষেত্রে তাদের চাকরিদাতা সংস্থাগুলো থেকে কোনো ধরনের চিকিৎসা সহায়তা বা তার নিমিত্তে কোনো ভাতা পান না, যা বিভিন্ন দেশে কর্মরত অভিবাসিত বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও বেশি উদ্বিগ্ন করে তোলে।
যদিও মালয়েশিয়ায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে অভিবাসিত শ্রমিকদের চিকিৎসা নেবার বিষয়ে কোনো আইনগত বাধা নেই, কিন্তু কার্যত অধিকাংশ সময়েই এইসব শ্রমিকেরা তাদের নিজস্ব চাকরি-বিষয়ক জটিলতা ও ভিসা সমস্যার কারণে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণে আগ্রহী হয় না। তদুপরি, বেশির ভাগ সময়েই আমাদের শ্রমিকদের পাসপোর্ট তাদের চাকরি সংস্থার নিকট গচ্ছিত থাকে, অথচ আইন অনুযায়ী কোনো ডাক্তারই, পাসপোর্ট ব্যতীত এদের চিকিৎসা প্রদান করতে পারে না। অত্যন্ত স্বাভাবিক কারণেই, উপায়ান্তর না দেখে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকাংশই নিজেরাই নিজেদের ংবষভ-সবফরপধঃবফ ঃৎবধঃসবহঃ নিয়ে থাকে। আমি আমার প্রাপ্ত গবেষণায় এটিও পরিষ্কারভাবে জানতে পেরেছি যে সেই কারণেই বাংলাদেশি শ্রমিকরা দেশ থেকে বাইরে যাবার সময় তাদের নিজস্ব স্বাস্থ্য-নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ ক্রয় করে সাথে নিয়ে যায়। বলাই বাহুল্য, এই ক্ষেত্রে তারা কোনো প্রকার ডাক্তারি পরামর্শ বা মেডিকেল চেক-আপ ব্যতিরেকেই সম্পূর্ণ নিজ জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে এইসব ওষুধ প্রয়োগ করে থাকে, যা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বিপজ্জনক।
প্রাসঙ্গিকভাবে এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, আইনানুসারে, মালয়েশিয়ায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে, নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে অভিবাসিত শ্রমিকদের প্রবেশাধিকারে কোনো বাধা না থাকলেও কার্যত, কোনো বাংলাদেশি সাধারণত এই সুযোগটি গ্রহণ করতে পারে না। এর কারণ হিসাবে, প্রথমতঃ বিদেশি শ্রমিকদের পক্ষে এইসব সরকারি হাসপাতালে প্রবেশ করা অতটা সহজ নয়। দ্বিতীয়ত বিদেশি হিসাবে তাদেরকে স্থানীয়দের চাইতে অনেক বেশি অর্থ প্রদান করে ওইসব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়। আমার জানা মতে, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই সাধারণত এইসব ইস্যুতে স্থানীয় ও অভিবাসিত ব্যক্তির মধ্যে তেমন কোনো বিভেদ রাখা হয় না। কিন্তু মালয়েশিয়ায় এই বিভাজনটি কিছুতেই প্রশংসিত হবার মত কোনো বিধি নয়। কিছুদিন আগে সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এষড়নধষ ঊীঢ়বৎঃং গববঃরহম ড়হ গরমৎধঃরড়হ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথার্থই বলেছেন, “ওঃ রং হড়ি ধষংড় পৎঁপরধষ ঃযধঃ বি ধষষ ঃৎবধঃ বাবৎু সরমৎধহঃ ধং ধ যঁসধহ নবরহম, হড়ঃ লঁংঃ ধং ধহ বষবসবহঃ ড়ভ বপড়হড়সরপ ধপঃরারঃু ড়ভ ঃযব ঢ়ৎড়ফঁপঃরড়হ ংুংঃবস. ঞযবু সঁংঃ বয়ঁধষষু বহলড়ু ধষষ ৎরমযঃং,–ঃযব ৎরমযঃং ধং পরঃরুবহং, ধং ঃযব ষড়পধষং ফড়”.
উপরন্তু, অভিবাসিত বাংলাদেশি শ্রমিকেরা নিজস্ব উদ্যোগে কোনো ডাক্তারি পরামর্শ বা হাসপাতালে ভর্তি হতে যান তখনই তাদেরকে চাকরি-সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয়, যা তাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও হতাশাব্যঞ্জক। যদিও মালয়েশীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক নয়, কেননা পূর্বে বাংলাদেশি ও মালয়েশীয় দালালচক্রের যোগসাজসে সেই দেশে অনেক অবৈধ শ্রমিকও কাজে নিয়োজিত ছিল। অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই তাই, এইসব শ্রমিকেরা সরকারি হাসপাতালের সেবা গ্রহণ না করে প্রাইভেট ক্লিনিকে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে আগ্রহী হয়। কিন্তু প্রাইভেট ক্লিনিক অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সেখানে কোনো ধরনের বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসা সাধারণত দেয়া হয় না বিধায়, অভিবাসিত শ্রমিকেরা সেটিতেও তাদের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। যদিও মালয়েশিয়াতে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে আধুনিক সেবা ও লেটেস্ট প্রযুক্তিসম্পন্ন চিকিৎসা চালু আছে, তথাপি আমাদের শ্রমিকেরা এক ধরনের সামাজিক, মনস্ততাত্ত্বিক দূরত্বের কারণে এবং সর্বোপরি তাদের আর্থিক অনানুকূল্যে বাংলাদেশিরা এইসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
অন্যদিকে, ভাষাগত পার্থক্যের কারণে, অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক, ডাক্তার ও নার্সদের নিকট তাদের অসুস্থতা বিষয়ক কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে কোনো সঠিক ইটিওলজিক্যাল ব্যাখ্যা প্রদান করতে সক্ষম হন না, যা মূলতঃ সেখানকার ডাক্তারদের রোগ নির্ণয়ে বেশি অসুবিধার সৃষ্টি করে। মালয়েশিয়ায় কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে, অনেকেই আমাদেরকে এমনও ধারণা দিয়েছেন যে, মালয়েশিয়ার হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা নিতে গিয়ে তাদেরকে শ্রমিক হিসাবে অনেকটা হেয় করে দেখা হয়- যা স্বভবতই তাদের মধ্যে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক বিচ্ছিন্নবোধের জন্ম দেয়। এইসব কারণে, রোগী হিসাবে অধিকাংশ শ্রমিকই চিকিৎসা নেয়া থেকে বিরত থাকে এবং বিকল্প হিসাবে নিজেদের মেডিসিনই ব্যবহার করে সাময়িকভাবে সুস্থ থাকতে চায়। অন্যদিকে, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজের জন্য জীবনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো জীবন বিমার ব্যবস্থা নেই। উপরন্তু, সেই দেশের নিয়োগকারী সংস্থাগুলোও এদের কোনো চিকিৎসা ভাতা ও মেডিকেল সাপোর্ট প্রদান করে না। ফলে, জরুরি প্রয়োজনে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিক পরিমাণে অর্থ ব্যয় করে তাদের চিকিৎসা করাতে হয়; অনেকে আবার এই ক্ষেত্রে কোনো চিকিৎসাই নেয় না।
পরিশেষে, আমি এখানে যে বিষয়টি উপস্থাপন করতে চাই তা হলো- এই যে, শ্রমিক হিসাবে আমাদের শ্রমজীবী ভাইয়েরা মালয়েশিয়ায় নির্মাণ ও উৎপাদন সেক্টরকে যেমন সচল করে রেখেছে তেমনি, তাদের আয়ে আমরা আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাখতে সক্ষম হচ্ছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ, এইসব শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা বিষয়টি আমরা কখনই গুরুত্ব সহকারে অনুধাবন করতে আগ্রহী নইÑ বলতে গেলে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ উভয় ক্ষেত্রেই তারা সুবিবেচনা পাচ্ছে না। সুতরাং, আমি মনে করি যে, দ্বিপাক্ষিক চুক্তির মাধ্যমে শ্রমিক প্রেরণ ও গ্রহণ সংক্রান্ত সরকারি চুক্তি বা গঙট স্বাক্ষরিত হবার সময় শ্রমিকদের স্বাস্থ্য-বিষয়ক ইস্যুটি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া বাঞ্ছনীয়। বিভিন্ন সময়ে, শ্রম-অভিবাসন নিয়ে আমার গবেষণা প্রবন্ধে আমি এই বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার জন্য সুপারিশ উপস্থাপন করেছি। অতি সম্প্রতি কানাডা থেকে প্রকাশিত একটি আন্তর্জাতিক জার্নালে ‘ঐবধষঃয ঝববশরহম ইবযধারড়ঁৎ ড়ভ ঃযব ইধহমষধফবংযর গরমৎধহঃ ডড়ৎশবৎং রহ গধষধুংরধ’ নামক প্রবন্ধে আমি এইসব সমস্যাগুলো উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক পলিসি-প্ল্যানারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চেষ্টা করেছি। সেই সাথে, কানাডায় প্রকাশিত আমার নিজস্ব সুপারিশ-সংক্রান্ত লেখাটির একটি অনুলিপি আমি স্বয়ং কুয়ালালামপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের লেবার সেক্রেটারির সাথে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে এর কপি তাঁর হাতে পেঁৗঁছে দিয়েছি।
এই প্রসঙ্গে, আমার প্রস্তাব হলো এই যে মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য যে সব দেশে আমাদের শ্রমিকেরা অপেক্ষাকৃত অধিকতর সংখ্যায় অবস্থান করছে, সরকারি প্রচেষ্টায় আমাদের বিদেশি মিশনগুলোর মাধ্যমে তাদের চিকিৎসা পরিচর্যা প্রদান করা যেতে পারে। কুয়ালালামপুর, বাহরাইন, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেহেতু অপেক্ষাকৃত বেশি সংখ্যক শ্রমিক কাজ করেন, সুতরাং সেসব দেশে আমাদের বিসিএস স্বাস্থ্য-ক্যাডারের দুই-তিন জন ডাক্তারকে মিশনগুলোতে সংশ্লিষ্ট রাখলে, আমাদের শ্রমিকেরা অন্তত সাধারণ ও প্রাথমিক চিকিৎসাগুলো সেখান থেকে গ্রহণ করতে পারে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার তাগিদে আমাদের বর্তমান জনবান্ধব সরকার এই বিষয়টি বিবেচনা করে দেখতে পারে।
অন্যদিকে, বিদেশি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য-নিরাপত্তার জন্য, অনতিবিলম্বে তাদের স্বাস্থ্য-বিমার প্রচলন করা বাঞ্ছনীয়। সম্প্রতি, থাইল্যান্ড তাদের দেশে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকদের জন্য ধীরে ধীরে এই ধরনের বিমা-স্কিম চালু করতে শুরু করেছে। নেপাল সরকারের প্রচেষ্টায় সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশে কর্মরত নেপালি শ্রমিকেরা এই সুবিধাটি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং মালয়েশিয়া এবং অন্যান্য দেশগুলোতেও বাংলাদেশিসহ সকল বিদেশি শ্রমিকের জন্য জীবন-বিমার এই সুবিধাটি অবিলম্বে চালু করা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে, চাকরিদাতা সংস্থাগুলোই এই স্কিমের অধীনে দেয় প্রিমিয়াম প্রদান করতে হবে; এটি আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এবং অভিবাসিত-শ্রমজীবীদের চিকিৎসা সংক্রান্ত এই সুবিধাগুলো বিশ্ব মানবাধিকারের একটি প্রধান শর্তও বটে।
লেখক: প্রাক্তন প্রফেসর, আইআইইউএম, মালয়েশিয়া। বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর।)