মুক্তিযুদ্ধের যোগ্য নেতা বঙ্গবন্ধু

আপডেট: ডিসেম্বর ৭, ২০১৭, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ

নজরুল ইসলাম বাঁধন:


আমরা বর্তমান প্রজন্ম নিজের চোখে মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। শুনেছি মাত্র। ভাষা আন্দোলনের পর থেকে ধাপে ধাপে স্বাধীনতা অর্জনের পথগুলি আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের কাছে আসতে শুরু করে। তার কিছুটা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামান্য দলিলগুলো থেকে আমরা জানতে পাই। বহু সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাঙালি স্বাধীন বাংলাদেশ ও স্বাধীন জাতি হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনেক অশ্রু ও রক্তের ইতিহাস রয়েছে।
মহান ত্যাগের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে দিয়ে গেছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন, বাংলার শোষিত বঞ্চিত মানুষকে শোষণের হাত থেকে মুক্তি দিয়ে উন্নত জীবন দিতে চেয়েছিলেন।
আমরা মায়ের গর্ভ থেকে ভূমিষ্ট হয়েই একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। একটি মাত্র মানুষের জন্য। তিনি হলেন বঙ্গবন্ধু। আমাদের চোখে অদেখা ছিলো বাঙালির উপর পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর দমন পীড়ন শোষণ নির্যাতনের চিত্র। অতঃপর ঐক্যবদ্ধ মুক্তিকামী বাঙালির বলিষ্ঠ প্রতিবাদ আর জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে যাওয়া। ফলাফলে প্রিয় মাতৃভূমিকে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা করা।
আমরা মুক্তিযুদ্ধ ভুলে গিয়ে জড়িয়ে পড়ি জীবনযুদ্ধে। জীবন এভাবেই ছুটে চলছে তিল তিল করে। যারা এই দেশকে জন্ম দিয়েছেন, কেবল তারাই জানেন এই দেশকে মর্ম। পৃথিবীর আলোয় আনতে কতটা অবর্ণনীয় কষ্ট করতে হয়েছে তারাই জানে। আমরা তার উপলব্ধি করতে পারি মাত্র। দুঃখজনক হলেও সত্য প্রসব বেদনায় কাতর একজন মা-ই কেবল জানেন, একজন সন্তান জন্ম দিতে কতটা ব্যথা-বেদনা সহ্য করতে হয়। অতঃপর ভূমিষ্ট সন্তানের দিকে তাকিয়ে সব যন্ত্রণা হাসি মুখে তুলে যান। সেই সন্তানকে জীবনের চেয়েও ভালোবেসে বুকের মধ্যে সারাজীবন আগলে রাখেন। সন্তান হিসেবে। ঠিক তেমনি করে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতিকে বুকের মধ্যে আগলে রেখে ছিলেন। তিনি কখনো বাঙালি জাতির কষ্ট সহ্য করেনি। তিনি মুক্তিযুদ্ধের যোগ্য নেতা বঙ্গবন্ধু।
অনুলিখন: শাহিনুল ইসলাম আশিক

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ