মূল আসামি গ্রেফতার || বড়াইগ্রামে কলেজছাত্র আল-আমিন হত্যার বিচার দাবি

আপডেট: জুলাই ৯, ২০১৯, ১:০২ পূর্বাহ্ণ

বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি


নাটোরের বড়াইগ্রামে কলেজ ছাত্র আল-আমিনের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে দুটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। গতকাল সোমবার সকাল ১১টার দিকে পাবনা-নাটোর মহাসড়কে কদিমচিলান উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল আসামি জীবন ওরফে হারপিক জীবনকে (২৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন নিহত আল আমিনের বাবা শাহাদৎ হোসেন, খলিশাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আনম ফরিদুজ্জামান, অধ্যাপক আতিকুর রহমান, কদিমচিলান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান, কদিমচিলান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়াজেদ আলী, শিক্ষার্থী মেহজাবিন প্রমূখ।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিলিপ কুমার দাস বলেন, কলেজ ছাত্র আল আমিনকে গুলি করে হত্যার সময় তিনজনের একটি দল ছিল। ওই দলের প্রধান ছিল জীবন ওরফে হারপিক জীবন। তাকে শনিবার গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তিনি বলেন, জীবনকে জেল হাজতে নেয়ার পর সেখানে লালপুরে গুলি করে দুটি অটোরিক্সা ছিনতাইয়ের ভিকটিম চিনে ফেলেন। তারা দাবি করেন তাদেরকেও জীবনই গুলি করে অটোরিক্সা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, জীবনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করা হবে। জীবন পাবনা শহরের শালগাড়ীয়া এলাকার আবদুল কুদ্দুসের ছেলে।
উল্লেখ্য, উপজেলার খলিশাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ও মকিমপুর গ্রামের শাহদৎ হোসেনের ছেলে আল-আমিন (১৮) গত শুক্রবার বিকেলে পালসার মোটরসাইকেলে বাড়ি থেকে কদিমচিলান বাজারের দিকে আসছিলেন। পথে বটতলা এলাকায় অপর এক মোটরসাইকেলে তিনজন তার পথ রোধ করে বুকে গুলি করে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে আল আমিনকে উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় শনিবার সকালে আল আমিনের শাহাদৎ হোসেন আজ্ঞাত আসামির নামে বড়াইগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনার বিচার দাবিতে শনিবার থেকে খলিশাডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।