যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইন নিপীড়ন ৪১ ভাগ

আপডেট: জুলাই ১৩, ২০১৭, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অনলাইন নিপীড়ন প্রাত্যহিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রে। দেশটিতে ১০ জনের মধ্যে চার জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিই অনলাইনে নিপীড়নের শিকার হন বলে উঠে এসেছে নতুন এক জরিপে।
পিউ রিসার্চ সেন্টার-এর চালানো জরিপে দেখা গেছে, অনলাইনে নিপীড়নের মাত্রা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে তীব্রতর মাত্রায় পৌঁছেছে। ট্রলিং ও হয়রানি বন্ধে ফেইসবুক ও টুইটার-এর মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পদক্ষেপের পরও অনলাইন নিপীড়ন বেড়েই চলেছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে সিএনএন।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪২৪৮ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়ে জরিপটি চালানো হয়। এতে দেখা গেছে ব্যাঙ্গাত্মক নাম ধরে ডাকা ও বিব্রত করা সবচেয়ে সাধারণ অনলাইন হয়রানি।
জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ শতাংশই চরম হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাদেরকে শারীরিক আঘাতের হুমকি, নজরদারি ও যৌন হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। প্রায় ৬৬ শতাংশ বলছেন তারা অনলাইনে হয়রানিমূলক আচরণ হতে দেখেছেন।
জরিপে অংশ নেওয়া অনেকে বলেন, হয়রানির শিকার হয়ে তারা মানসিক ও আবেগজানিত ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। অন্যদের হয়রানি দেখে এক চতুর্থাংশের বেশি মার্কিন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অনলাইনে কিছু পোস্ট না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জরিপে উঠে এসেছে।
ট্রল বন্ধ করতে ইতোমধ্যেই বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটার। একইসঙ্গে ফেইসবুকও নিপীড়ন বন্ধে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সমস্যা সমাধানের জন্য জরিপে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ভিন্ন ভিন্ন মতামত তুলে ধরেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ মনে করেন হয়রানির ঘটনা ঘটলে অনলাইন সেবাগুলোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত। আর ৪৩ শতাংশের ধারণা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর এই বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া দরকার।