যে কারণে ইন্টারনেটের গতি কম

আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৯, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


বিভিন্ন ধরনের বেতার সরঞ্জাম ব্যবহার করে মোবাইল অপারেটরদের নেটওয়ার্ক তরঙ্গে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে এবং গ্রাহক পর্যায়ে কাক্সিক্ষত সেবা বিঘিœত হচ্ছে। ফলে, গ্রাহকরা নেটওয়ার্কে কল কানেক্ট, কলড্রপ, ইন্টারনেট গতি হ্রাসসহ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অনুমোদন ছাড়া ব্যক্তি, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান মোবাইল অপারেটরদের জন্য বরাদ্দকৃত তরঙ্গে (২- জি, ৩-জি ইত্যাদি) কর্ডলেস টেলিফোন সেট এবং নেটওয়ার্ক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী জ্যামার, জিএসএম নেটওয়ার্ক বুস্টার, রিপিটারসহ নানা বেতার সরঞ্জাম ব্যবহারের কারণে এমন সমস্যা হচ্ছে। এ বিষয়ে বেতার সরঞ্জাম ব্যবহার সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে বিটিআরসি। এতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন ২০০১ এর ৫৫ (১) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি লাইসেন্স ছাড়া বাংলাদেশ ভুখ-ে আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা এবং আকাশসীমায় বেতার যোগাযোগের উদ্দেশ্যে কোনো বেতার যন্ত্রপাতি স্থাপন, পরিচালনা কিংবা ব্যবহার করবেন না। অথবা কোনো বেতার সরঞ্জাম কমিশন থেকে বরাদ্দ ফ্রিকোয়েন্সি ছাড়া অন্য কোনো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করবেন না। এক্ষেত্রে নিয়ম ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন-২০০১ অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে পাওনা আদায় করতে না পেরে গ্রামীণফোনকে ৩০ শতাংশ ও রবিকে ১৫ শতাংশ কম ব্যান্ডউইথ সরবরাহ করতে ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এর ফলেও গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করছে মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। তারা বলছেন, এতে মূলত মোবাইল অপারেটরগুলোই লাভবান হচ্ছে। কারণ, এতে আইআইজি অপারেটরদের বিল কম দিতে হচ্ছে।