রাজশাহীতে বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যু

আপডেট: জুন ১, ২০১৯, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ও বাঘা প্রতিনিধি


বৃহস্পতিবার রাতে প্রচন্ড ঝড়ে ভেঙে পড়া গাছের ডালে ছিঁড়ে যায় বৈদ্যুতিক তার-সোনার দেশ

রাজশাহীতে বজ্রপাতাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে গোদাগাড়ীতে দুজন এবং কাটাখালীর কাপাশিয়ায় ও বাঘায় একজন করে মোট দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন, গোদাগাড়ী উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর গ্রামের জমসেদ আলী (৫৫), সারাংপুর পুলিশপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মুসাউল হক (১৫), বাঘার বাউসা গ্রামের মোহাম্মদ বাছা হোসেন (২৮) ও নগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালীর কাপাশিয়ার স্কুলছাত্র মনি সরকার (১৪)।
গোদাগাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় বাসায় ফিরছিলেন জমসেদ আলী। এমন সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এদিকে ঝড়-বৃষ্টির সময় মুসাউল হক আম কুড়াচ্ছিলেন। এসময় বজ্রপাতে তিনি ঘটনাস্থলে মারা যান।
আর নগরীর উপকণ্ঠ কাটাখালীর কাপাশিয়ায় বজ্রপাতে মনি সরকার (১৪) নামের স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহত মনি একই এলাকার কামালের ছেলে। এছাড়া মনি কাপাসিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। কাটাখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, ঝড়-বৃষ্টির সময় মনি আম বাগানে আম কুড়াছিলেন। এ সময় বিকট শব্দে বজ্রপাত হয়। ধারনা করা হচ্ছে বজ্রপাতে মনির মৃত্যু হয়েছে।
বাঘা প্রতিনিধি জানায়, রাজশাহীর বাঘায় আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে মোহাম্মদ বাছা হোসেন (২৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় বজ্রপাতে তার এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। মোহাম্মদ বাছা হোসেন উপজেলার ফতেপুর বাউসা গ্রামে সলেমান হোসেনের ছেলে।
এবিষয়ে মোহাম্মদ বাছা হোসেনের খালু আবুল হোসেনে নিশ্চিত করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ফতেপুর বাউসা স্কুলের পিছনে বাড়ির পাশে ঝড় বৃষ্টির সময় বাগানে আম কুড়াতে যায়। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় জানাজা শেষে অমরপুর কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়েছে। বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহসীন আলী ঘটনাটি শুনেছেন বলে জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ