রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কে চলছে দখল প্রশাসন নির্বিকার

আপডেট: মে ২৬, ২০১৯, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

মোহনপুর প্রতিনিধি


রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের কেশরহাটে চলছে মহাসড়কে দুপাশ দখলের হিড়িক। অসাধু ব্যবসায়ীদের দখল বাণিজ্য ঠেকাতে নিরুপায় হয়ে পড়েছে স্থানীয় পৌর প্রশাসন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নজরদারি চেয়েছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজশাহী-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাড়কের যানজট নিরসনের জন্য সরকার সম্প্রতি রাস্তার দুপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। এছাড়াও চলছে রাস্তা প্রশস্তকরণের কাজ। চলমান ড্রেনেজের কাজ শেষ হতে না হতেই শুরু হয়েছে রাস্তার পাশ দখলের মহোৎসব। ইটবালি, বাঁশ, কাঠ ও চাঁদোয়া টাঙিয়ে দখল বাণিজ্যে মেতে উঠেছেন একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। শিক্ষা কেন্দ্রিক কেশরহাটে ব্যবসায়ীদের মহাসড়ক দখল রোধে গত তিনদিন ধরে নিয়মিত মাইকিং করছে কেশরহাট পৌর প্রশাসন। এতে কর্ণপাত না করে নবনির্মিত ড্রেন জুড়ে পাকা ঘর নির্মাণ শুরু করেছে অনেক ব্যবসায়ী।
থানা পুলিশ, উপজেলা প্রশাসনসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কোনো নজরদারি না থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে এলাবাসীর অভিযোগ।
গতকাল শনিবার দুপুরে সরোজমিন গিয়ে দেখা যায়, কেশরহাটের পরিচিত ‘হাবিব বিহারি’ নামের পুরো হোটেলটি চলছে মহাসড়কের কার্পেটিং জুড়ে। আবার রাতে ঘর নির্মাণের জন্য পাশেই রাখা হয়েছে ইট বালি। যার ফলে মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে চরম যানজট।
দখলের বিষয় জানতে চাইলে হোটেল মালিক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, সবাই পায়, সবাই খায়, সরকারি লোকেরাও খায়, আপনি ছবি তুলে করবেন কী? কোনো লাভ হবে না।
কেশরহাট পৌর মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদকে বিষয়টি অবগত করা হলে তিনি বলেন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী তাদের নীতিবোধ হারিয়ে ফেলেছে। মহাসড়কের যানজট নিরসনে সম্প্রতি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের মাস না যেতেই রাস্তার উপরে দখল শুরু করেছে। তারা এখন যেন আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এমনকি কেউ কেউ রাস্তার কার্পেটিং ঘেঁষে চালাঘরসহ ড্রেন জুড়ে পাকা ঘর তৈরি শুরু করেছে। এজন্য গত ৩ দিন ধরে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। কিন্তু এতে নেই কারো কোনো গুরুত্ব। ইউএনওকে অবহিত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানওয়ার হোসেন বলেন, যেহেতেু সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমি সেহেতু বিষয়টি তাদের অবহিত করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ