রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত || জাহাঙ্গীর সভাপতি, সম্পাদক মাহাতাব

আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০১৯, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মাহাতাব হোসেন চৌধুরী। গতকাল শনিবার সকাল ১০টায় নির্বাচনের এই ফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনের ১১টি পদে যারা বিজয়ী হয়েছেন তারা হলেন, সহসভাপতি পদে মুকুল আলী, সহসাধারণ সম্পাদক পদে গাজি ও শ্রী মানিক মোহন চৌধুরী গনেশ, কোষাধ্যক্ষ পদে জহুরুল ইসলাম জনি, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ফেরদৌস ও সুলতান ইসলাম, দফতর সম্পাদক পদে শ্রী পরিমল দাস, সহদফতর সম্পাদক পদে শ্রী শংকর কুমার তরফদার, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও প্রচার সম্পাদক পদে গোলাম আজম জুলমত, সড়ক সম্পাদক পদে আবুল কালাম আজাদ, আরমান আলী ও রিংকু কুমার দাস বিজয়ী হয়েছেন। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে সেলিম হোসেন, পারভেজ আলী, সজিব আহম্মদ, শাহীন রেজা, সুমন আলী, মামুন হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার ফল ঘোষণা করেন, নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট রবিউল হক কাকর।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে জাহাঙ্গীর আলম দোয়াত কলম প্রতীকে ১ হাজার ৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। আর সাধারণ সম্পাদক পদে মাহাতাব হোসেন চৌধুরী স্টিমার প্রতীকে ১ হাজার ৬০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠ সংলগ্ন নাইস কমিউনিটি সেন্টারে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ১১১ জন। নির্বাচনের মোট ভোটার ছিলেন তিন হাজার ৪২০ জন।
জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটির মেয়াদ শেষ হলে ২০১৭ সালের ২৪ মে নির্বাচনের আয়োজন করা হয়। সেদিন ভোট গণনা শেষ হলেই বহিরাগত একটি সন্ত্রাসী বাহিনী ভোটকেন্দ্রে হামলা চালায়। এরপর ২১ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি দিয়েই চলছিল মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন। অবশেষে গত ২২ জুন রাজশাহী এসে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান ওই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন। তিনি নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে দায়িত্ব দিয়ে যান। গঠন করা হয় নতুন একটি আহ্বায়ক কমিটিও। তিন মাসের মাথায় সেই কমিটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করলো।
এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণকালেও দুই সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে এক প্রার্থীসহ অন্তত সাতজন আহত হন। পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট রবিউল হক কাকর বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একটু মারামারির ঘটনা ঘটলেও সেটা কেন্দ্রের বাইরে। কেন্দ্রের ভেতরে কোনো বিশৃঙ্খলা ঘটেনি। ভোট গণনা শেষ হওয়া মাত্রই বাকি তিন পদের ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।