বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প || ঈশ্বরদীতে নির্মাণ হচ্ছে নৌবন্দর

আপডেট: November 24, 2019, 1:32 am

ঈশ্বরদী প্রতিনিধি


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যবৃন্দ-সোনার দেশ

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। গতকাল শনিবার কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি’র নেতৃত্বে কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম খাঁন এমপি, বেগম শিরীন আহমেদ এমপি এবং বেগম সেলিমা আহমেদ এমপি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, অতিরিক্ত সচিব ইতি রানী পোদ্দার, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল হক, প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর, প্রকল্পের উপদেষ্টা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, প্রকল্পের মূখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা অলোক কুমার চক্রবর্তি, প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে এএসই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর প্রকল্পের রাশিয়ান প্রকল্প পরিচালক সের্গেই লাসতোচকিন প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কাজের বাস্তবচিত্র বর্ণনা করেন।
পরিদর্শন শেষে কমিটির চেয়ারম্যান রুহুল হক এমপি বলেন, এর আগে এসে শুধু মাটি ভরাট দেখেছিলাম এবং তথ্য-উপাত্ত মুখে শুনেছিলাম। আমাদের প্রকৌশলী ও রাশানদের কর্ম প্রচেষ্টায় এবং সুন্দর ব্যবস্থাপনায় কাজের অগ্রগতি দেখে আমরা আজ অভিভূত। তিনি বলেন, আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী একজন ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট। তিনি নিয়মিত এখানে এসে কাজের তদারকির কারণে প্রকল্পের কাজ সুন্দরভাবে সম্পাদিত হচ্ছে। নিরাপত্তা প্রসংগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী রুহুল হক এমপি বলেন, ফুকুসিমায় দুর্ঘটনার পর নতুন ব্যবস্থাপনায় বিশেষ করে ভূমিকম্প এবং দুর্ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে এই প্রকল্পে নিরাপত্তার উপর সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। আজ প্রথম ইউনিটের পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বলয় স্বচক্ষে দেখে আমরা কমিটির সকলেই সন্তুস্ট।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য সদস্যরা স্বচক্ষে কর্মযজ্ঞ দেখলেন। কর্মযজ্ঞ দেখে তারা যদি খুশী হন, তাহলে আমরাও খুশী।
সংসদীয় কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, রূপপুর প্রকল্পের কারণেই ঈশ্বরদীতে একটি নৌবন্দর হতে যাচ্ছে। প্রসঙ্গতঃ রূপপুর প্রকল্পের ভারী যন্ত্রপাতি আনয়নের জন্য হার্ডিঞ্জ সেতুর প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার দূরে নৌবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্প প্রচিালক ড. শৌকত আকবর বলেন, আর্ন্তজাতিক রীতিনীতি মেনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে। নির্ধরিত সময়ের মধ্যেই এই প্রকল্প হতে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুত সঞ্চালন হবে বলে আশা করি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ