লাখ টাকার বালু মহাল কোটি টাকায় বিক্রি

আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৮, ১:১২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


টেন্ডার বক্স খোলার সময় জেলা প্রশাসক এসএম আবদুল কাদেরসহ অন্যরা সোনার দেশ

রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে (ডিসি) অফিসে খোলা হলো বালুমহলের টেন্ডার। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ডিসির অফিসে হল রুমে উপস্থিত ঠিকাদারগণের উপস্থিতে টেন্ডার বাক্স খোলা হয়। এসময় সর্বোচ্চ মূল্য দিয়ে টেন্ডার ড্রপিং করা (দরপত্র) দাতার নাম ঘোষণা করা হয়।
এতে দেখা যায়, গোদাগাড়ি বালুমহল ছয় মাসের জন্য ৭৫ লাখ টাকা সর্বোচ্চ মূল্য দিয়েছেন। সঙ্গে আরো ২০ শতাংশ ভ্যাট ১৫ লাখ টাকাসহ মূল্য হয় ৯০ লাখ টাকা।
চারঘাট বালুমহলের গত বছরের ডাক ছিল ৯১ লাখ টাকা। এবার ৬ মাসের জন্য ঠিকাদাররা প্রতিযোগিতা মূলক সর্বোচ্চ মূল্য দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ টাকা। সঙ্গে যোগ হবে ২০ শতাংশ ভ্যাট।
ইউসুফপুর বালুমহলে গতবছর ছিলে ১৭ লাখ টাকা। এবার ৬ মাসের জন্য ওই ঘাটের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭৩ লাখ টাকা। সঙ্গে যোগ হবে ২০ শতাংশ ভ্যাট। বাঘা বালুমহল দেয়া ছিল ১৮ লাখ টাকায়। এবার তার সর্বেচ্চ মূল্য দাঁড়িয়েছে ৭১ লাখ ৭১ হাজার ১০১ টাকা। সঙ্গে ২০ শতাংশ ভ্যাট ।
সবমিলিয়ে দেখা যায়, সিন্ডিকেটের হাতে বালুমহল থাকার কারণে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার। আর সাধারণ ক্রেতারাও জিম্মি ছিলো সিন্ডিকেটের লোকজনের কাছে।
কাঁটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী বলেন, ১ হাজার টাকা, ১২শ’ টাকা মূল্যের বালি ইমারত নির্মাণের জন্য ক্রেতারা ক্রয় করেন ২২শÑ ২৫শ টাকায়।
সুজন শেখসহ একাধিক ঠিকাদার বলেন, আর কোনো সিন্ডিকেট নয়, ব্যবসায় সকল ঠিকাদারের অংশগ্রহণ চাই। পাশাপাশি ব্যবসাতেও প্রতিযোগিতা চাই। তাহলে একদিকে সাশ্রয় মূল্যে বালু পাবে ক্রেতা অপরদিকে সাধারণ ব্যবসায়ীরা স্বস্তি আর শান্তিতে ব্যবসা করতে পারবে।
উল্লেখ্য, গত (৮ অক্টোবর) রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি অফিস) থেকে ঠিকাদারদের নিকট সিডিউল বিক্রি করা হয়। গত (৯ অক্টোবর) বালু মহালের টেন্ডারের দরপত্র বিক্রির শেষ দিন ছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ