লিভার ট্রান্সপ্লান্ট কেন ও কখন হয়?

আপডেট: জুন ৫, ২০১৮, ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন বিষয়টি পুরোপুরিভাবেই শল্যচিকিৎসা নির্ভর। যেখানে ক্ষতিগ্রস্থ লিভারকে বদলে ফেলা হয় আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে। একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে লিভার বদলানোর প্রয়োজন হয়। যখন কোনভাবেই চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। খুব ভাল চিকিৎসা পদ্ধতির প্রয়োজন লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য। এছাড়াও কয়েকটি বিষয় একটু লক্ষ রাখা জরুরি।
১) লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টে সাধারণত দুই ধরনের ডোনার হয়। প্রথমটি হল খরারহম ফড়হড়ৎং। যেখানে কোন সুস্থ মানুষের লিভার নিয়ে রোগীর শরীরে স্থাপন করা হয়। প্রতিস্থাপনের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটি স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করা শুরু করে দেয়।
২) দ্বিতীয় ধরণটি হল ঈধফধাবৎরপ ফড়হড়ৎ। এই ক্ষেত্রে মৃত মানুষদের শরীর থেকে লিভার নিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়। কোন মৃত মস্তিষ্কের ব্যাক্তির দেহ থেকে নেওয়া হয় লিভারটি। রক্তের ধরণ এবং সাইজ পরীক্ষা করে তবেই, প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
৩) লিভার প্রতিস্থাপন পদ্ধতিটি সকলের জন্য নয়। রোগী যদি ক্যান্সার, হার্ট, নার্ভের রোগে আক্রান্ত হন। তবে, এই চিকিৎসা কোনভবেই সম্ভব নয়।
৪) লিভার প্রতিস্থাপন বিষয়টি সময়সাপেক্ষ। অপারেশনটির জন্য ৬-১৪ ঘন্টা পর্যন্ত লাগতে পারে।
৫) নতুন লিভারটি সঠিকভাবে কাজ শুরু না করা পর্যন্ত রোগীকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়। ইনফেকশন প্রতিরোধের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ দেওয়া হয় রোগীকে। লিভার স্বাভাবিক নিয়মে কাজ করা শুরু করলে রোগীকে ছেড়ে দেওয়া হয়।