শিল্পখাত উন্নয়নে সহায়তা করবে ইউনিডো

আপডেট: এপ্রিল ৩, ২০১৭, ১২:২৭ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



বাংলাদেশের চামড়া, কৃষিভিত্তিক হালকা প্রকৌশল ও অটোমোবাইল শিল্পখাতের উন্নয়নে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো)। পাশাপাশি বাংলাদেশের শিল্প কারখানায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও ইউনিডো সহায়তা করতে আগ্রহী।
রোববার শিল্প মন্ত্রণালয়ে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে সাক্ষাতকালে বাংলাদেশ সফররত ইউনিডো’র উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল এ আগ্রহের কথা জানায়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউনিডোর আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা সম্পর্কিত আঞ্চলিক অফিসের প্রধান রেনে ভ্যান বারকেল।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, ইউনিডোর এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রোগ্রাম অফিসার প্রকাশ চন্দ্র মিশ্র, ইউনিডো’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. জাকি উজ জামানসহ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠকে বাংলাদেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে ইউনিডোর সহায়তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় ইউনিডোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের চামড়া, ডেইরি ফুড, পশুপালন, কৃষিভিত্তিক পণ্য, বিদ্যুৎ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, পাট, তৈরি পোশাক ও হস্তশিল্পসহ বিভিন্নখাতের উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার ও খাদ্যের গুণগতমান উন্নয়নে ইউনিডো বাস্তবায়িত বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশের শিল্পখাতে সাম্প্রতিক গুণগত পরিবর্তনের প্রশংসা করেন ইউনিডোর প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এ সময় তারা বাংলাদেশের জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আলোকে বাংলাদেশের শিল্পখাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য খাতভিত্তিক চাহিদার আলোকে কান্ট্রি প্রোগ্রাম গ্রহণ করতে সরকারের সমর্থন কামনা করেন। ইউনিডোকে বাংলাদেশের শিল্পখাতের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেন, বাংলাদেশে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পখাতের উন্নয়নে ইউনিডো ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পখাত বিকাশের জন্য ইউনিডোর আরও কারিগরি সহায়তা কামনা করেন। চামড়া, অটোমোবাইল, হালকা প্রকৌশল ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে সহায়তা বাড়ানোর কথা বলেন তিনি। কান্ট্রি প্রোগ্রাম কর্মসূচি চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের চাহিদা নিরূপণ এবং সে অনুযায়ী কর্মসূচি প্রণয়নের জন্য প্রতিনিধিদলের সদস্যদের পরামর্শ দেন শিল্পমন্ত্রী।