বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

‘সকল উন্নয়নের ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা’

আপডেট: December 8, 2019, 1:09 am

নিজস্ব প্রতিবেদক


মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির খন্দকার-সোনার দেশ

‘কৈাশলগত পরিকল্পনা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য-৪’ শীর্ষক মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার নগরীর হোটেল ওয়ারিশন কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) হুমায়ন কবীর খোন্দকার।
প্রধান অতিথি বলেন, সকল উন্নয়নের ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ক্ষুধা ও দারিদ্রতামুক্ত উন্নত বাংলাদেশ গড়া। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানবসম্পদ। এ মানব সম্পদ তৈরির কাজ শিক্ষকরা করে থাকেন। একজন মানুষ তখনই সুশিক্ষিত যখন তার আচরণ ইতিবাচক হয়। ভাল মানুষ না হলে নৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী হবে না। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রাইমারি ও হাইস্কুলে নৈতিক শিক্ষার জায়গা এবং বিশ^বিদ্যালয়ে কার্যকর করার জায়গা। আমাদের শিখন ও পরিবার প্যাটার্ন পরিবর্তন করতে হবে। সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য তা দরকার। বাংলাদেশে প্রায় ৬০ ভাগ তরুণ-তরুণী। দেশকে এগিয়ে নেবার জন্য তাদের কাজে লাগানোর এখনই উপযুক্ত সময়। তিনি বলেন, দেশের মূল অর্জন হচ্ছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক শিক্ষা হচ্চে তার ভিত্তিপ্রস্তর। বর্তমান সরকার এসডিজি ইস্যূতে খুবই ইতিবাচক এবং তা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষার বিভাগীয় উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক কেএম এনামুল হক, ইউনেস্কো ঢাকার প্রোগ্রাম অফিসার শিরিন আখতার।
২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার শিক্ষা সংক্রান্ত ৪র্থ লক্ষ্য সবার জন্য অর্ন্তভূক্তিমূলক ও সমতা ভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং জীবনব্যাপি শিক্ষার সুযোগ তৈরি করা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বাগত বক্তব্য দেন, সচেতনের নির্বাহী পরিচালক হাসিনুল ইসলাম চুন্নু। এসডিজি-৪ বাংলাদেশ-এর কৌশলগত পরিকল্পনা উপর মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ইউনেস্কো কনসালটেন্ট জিয়া-ইস-সবুর।
সাবেক সচিব ও ইউনেস্কোর লিড কনসালটেন্ট শ্যামল কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে সচেতন ও গণসাক্ষরতা অভিযান-এর আয়োজনে, ইউনেস্কো ঢাকা কার্যালয় এবং বিএনসিইউ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
পরিশেষে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্যমাত্রা হলো সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, রূপকল্প-২০২১ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্রতামুক্ত একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়া। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে এসডিজি’র ৪র্থ লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এক সাথে উন্নত বাংলাদেশ গড়ি ।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণ করেন, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আকতার হোসেন মজুমদার, রাবির সমাজকল্যাণ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: শফিকুজজামান জোয়ারদার, টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ(অব) অধ্যাপক আব্দুস সামাদ মন্ডল, আসমা খাতুন, রাজশাহী উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি রোজীটি নাজনিন, সহাকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নূর আকতার জান্নাতুন ফেরদৌস, সচেতনের প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর সরকার হেলালউজজামান লিটন প্রমুখ। পরিবর্তনের পরিচালক রাশেদ রিপন, এসবিএমএসএস, নির্বাহী পরিচালক নূর-এ জান্নাত প্রমুখ।
সভাটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, সচেতন-এর প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর সরকার হেলালউজজামান লিটন এবং উপস্থাপনায় প্রোগ্রাম অফিসার রুমানা শারমিন।