সন্ত্রাসের দিন, দুরন্ত ট্রেনসফর

আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০১৮, ১:১১ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


দেব, আপনাকে দেখে ভাল লাগল। ভাল লাগল কারণ ‘কবীর’কে নিয়ে আপনি খেটেছেন। যে কোনও শিল্পীর মতো আপনিও নিজের সীমাবদ্ধতা জানবেন, এ তো সহজ কথা। কিন্তু আপনি সেই সীমাবদ্ধতা ছাপিয়ে একশোর মধ্যে নিজের দেড়শো ভাগ দিয়েছেন। অভিনেতা হিসেবে, প্রযোজক হিসেবেও। যে অবতারে আপনার সিংহভাগ ভক্ত আপনাকে চায়, সেই নাচগান-মারপিট-দুরন্ত প্রেম করা নায়কের ছক থেকে নিজেকে বার করে এনে একেবারে নতুন ছাঁচে ফেলার সাহস দেখিয়েছেন। ‘চাঁদের পাহাড়’-এর শঙ্করকে মনে রেখেও কথাটা বলা চলে। এই পরিশ্রম আর সাহসের জন্যই ভাল লাগল আপনাকে।
পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়কেও বলতে হয়, তাঁর ছবির দুরন্ত এক্সপ্রেসের মতো ‘কবীর’-এর গল্পও দিব্যি ছুটেছে। গল্প তার শেষ স্টেশনের দিকে এগোতে থাকার সময়ে অনেক দর্শক হয়তো রহস্যের জালের নকশাটা আঁচ করতে পারবেন। কিন্তু দু’ঘণ্টা ধরে সেই জাল মোটের উপর টানটান ধরে রাখাও সহজ নয়। এ ছবিতে রোমাঞ্চ আছে, হঠাৎ মোড় আছে, গল্প বলার চেষ্টা আছে। ‘আর্ট ফিল্ম’ বলতে এখনও অনেকে যা বোঝেন, অনিকেত তা বানাননি, জ্ঞান ফলাননি, সুড়সুড়ি দেওয়া সংলাপ বা আঁকা ছবির মতো ক্যামেরা-কাজ নিয়ে মাথা ঘামাননি। কিন্তু সাংবাদিক জীবনের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করেছে তাঁর ছবিকে।