‘সমাজে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় এগিয়ে আসার আহ্বান’

আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০১৮, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


জঙ্গিবাদ ‘বহুত্ববাদ’-এর শত্রু, জঙ্গিবাদ ‘বহুত্ববাদ’কে হত্যা করতে চায়। বাংলাদেশ একটি বহু জাতি, বহু ভাষা, বহু ধর্ম, বহু চিন্তা ও বহু সংস্কৃতির রাষ্ট্র। রাষ্ট্র পরিচালনায় এই যে বহুত্ববাদ, এর প্রতিফলন থাকতে হবে এবং এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। একজন মানুষের মূল্যবোধ, দৃষ্টিভঙ্গি, জীবনব্যবস্থার পরমত সহিষুষ্ণতা, অন্যের মতকে সম্মান দেওয়া, ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধা করার মাধ্যমেই একটি দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। আর এই কাজে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখতে পারে আমাদের তরুণ সমাজ।
মডেল ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে যুব সমাজকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে ‘বহুত্ববাদ ও সামাজিক সম্প্রীতি’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহনপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুস সামাদ এসব কথা বলেন।
বিট্রিশ কাউন্সিল এর প্রডিজি কর্মসূচির সহযোগিতায় দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ রাজশাহীর আয়োজনে মৌগাছি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে শুরু হওয়া প্রশিক্ষণে ৩০জন তরুণ-তরুণী অংশগ্রহণ করেন। মৌগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আল-আমিন বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে সমাপনী পর্বে বক্তব্য দেন, প্রডিজি ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর সুব্রত কুমার পাল। তিনি বলেন, বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদকে সমাজ দার্শনিকরা বরাবরই উৎসাহ দিয়ে থাকেন এবং মানুষের পরিচয় বিনির্মাণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। বর্তমান যুগে সামাজিক-সাংস্কৃতিক গতিময়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় নানা কিছুতেই বৈচিত্র্যের সমাবেশ ঘটতে দেখা যায়। বিপরীত মত ও বৈচিত্র্যের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা জাগাতে পারে।
প্রডিজি প্রোগ্রাম অফিসার মো. জয়নাল আবেদীনের এর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, ইউপি সদস্য সুফিয়া খাতুন, মো. আফসার আলী প্রমুখ।
তিন দিনের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করা, যাতে তারা নাগরিকত্ববোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজ এলাকায় সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি ও উন্নয়নের অংশীদার হতে পারে এই বিষয়ে প্রায়োগিক চর্চা করানো হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা সামাজিক বৈচিত্র্যতা একটি সামাজিক বাস্তবতা, এটি থাকলে কী কী লাভ হয় এবং এই বৈচিত্র্যের কারণে কখন দ্বন্দ্ব তৈরি হয় তা বর্ণনা, সামাজিক সম্প্রীতি কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সমাজে সামাজিক সম্প্রীতি কেন জরুরি তা অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণে সহায়কের দায়িত্ব পালন করেন প্রডিজি ফিল্ড কোঅর্ডিনেটর সুব্রত কুমার পাল, প্রোগ্রাম অফিসার মো. জয়নাল আবেদীন ও মাসুম রাসেল।