‘সরকারের বড় প্রকল্প বাজারে এলে চাঙা হবে পুঁজিবাজার’

আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০১৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



পদ্মা সেতুর মতো বড় বড় প্রকল্পের জন্য সরকার পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে। আর এ প্রকল্পগুলো এলে পুঁজিবাজার চাঙা হবে বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল।
শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপো ২০১৬’ উপলক্ষে অর্থনৈতিক উন্নয়নে পুঁজিবাজারের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিরূপাক্ষ পাল বলেন,  দেশের বর্তমান  পুঁজিবাজার বেশ  সম্ভাবনাময়। বাজারের প্রতি  বিনিয়োগকারীদের অনেক আগ্রহও রয়েছে। এ আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে সরকার পদ্মা সেতুর মতো বড় বড় প্রকল্পের অর্থ পুঁজিবাজার থেকে সংগ্রহ করতে পারে। সরকারের এ বড় প্রকল্পগুলো এলে পুঁজিবাজার চাঙা হবে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের সূচক অবশ্যই বাড়বে, কারণ আমাদের অর্থনীতি উদীয়মান। এই উদীয়মান অর্থনীতিতে ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ইন্স্যুরেন্স রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিবাজারকে এক সুতোয় গাঁথতে পারলে অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ বলেন, বর্তমানে ব্যাংক ব্যবস্থায় এক ধরনের সুদহার রয়েছে, আবার সঞ্চয়পত্রে এক ধরনের সুদ। এক দেশে দুটো সুদহার থাকায় সুদহার কমানো যাচ্ছে না। সুদহার এক হলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সুদহার যতো কম হবে, বাজার ততো বেশি চাঙা। সুদহার কমিয়ে বাজার উন্মুক্ত করে দিতে পারলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি যতো কম হবে বাজার ততো বেশি চাঙা হবে। আর মূল্যস্ফীতি কমাতে হলে দেশে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। এটাও সুদহারের ওপর নির্ভর করে। আমরা মনে করি, সুদহার একটিই থাকা উচিত।
সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মসলিন ক্যাপিটালের প্রধান নির্বাহী ওয়ালিউল মারুফ মতিন ও সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এরশাদ হোসেন।
সেমিনারে অর্থসূচক ডটকমের সম্পাদক জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার প্রফেসর মো. হেলাল উদ্দিন নিজামী, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল মজিদ, আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ।