সাঁথিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা পাঁচদিন পর লাশ উদ্ধার || যুবক গ্রেফতার

আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৭, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

সাঁথিয়া প্রতিনিধি


পাবনার সাঁথিয়ায় দুই সন্তানের জননী আলেয়া খাতুন ( ৪৩) নামে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের পাইকরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে টুটুল মল্লিক (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক পাঁ দিন পর পাইকরহাটি গ্রামের বিলে পানির মধ্যে ধানখেত থেকে গৃহবধূ আলেয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।
সাঁথিয়া থানায় দেয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পাইকরহাটি গ্রামের আরদোশ আলী মল্লিকের স্ত্রী আলেয়া খাতুন (৪৩) ১ নভেম্বর বুধবার দুপুরের দিকে পাইকরহাটি গ্রামের ঈদগাহ মাঠের পাশে খড়ি কুড়ানোর জন্য যায়। আলেয়া বাড়ি ফিরে না আসায় তার স্বজনরা অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে না পেয়ে গত ৩ নভেম্বর শুক্রবার আলেয়ার স্বামী আরদোশ মল্লিক সাঁথিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
গতকাল মঙ্গলবার সাঁথিয়া থানায় এক প্রেস ব্রিফিং এ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বেড়া সার্কেল) আশিস বিন হাসান জানান, থানায় ডায়েরি হওয়ার পর পরই হত্যাকারীকে খোঁজার জন্য পুলিশ তৎপরতা শুরু করেন। এরই অংশ হিসেবে মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে কৌশলে সন্দেহভাজন আসামি একই গ্রামের আতাহার মল্লিকের ছেলে টুটুল মল্লিককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে টুটুল মল্লিক গৃহবধূ আলেয়াকে নির্জন জায়গায় একা পেয়ে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। আলেয়া ধর্ষণের বিষয়টি ফাঁস করার কথা বলায় ঘটনাটি ধামা চাপা দেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে আলেয়ার পড়নের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ধানের জমিতে পানির ভিতর লাশ লুকিয়ে রাখে। পুলিশ টুটুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাকে সঙ্গে নিয়ে পাইকরহাটি গ্রামের ঈদগাহ মাঠের পশ্চিমে পানির মধ্যে ধান খেত থেকে গতকাল মঙ্গলবার ভোর রাতে আলেয়ার লাশ উদ্ধার করে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় আলেয়ার মেয়ে শাবানা খাতুন বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ