বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

সাপাহারে বাগান ও খামার জবর দখলের অভিযোগ

আপডেট: January 20, 2020, 12:45 am

সাপাহার প্রতিনিধি


সাপাহারে দিনের বেলায় চট্রগ্রাম জেলার ফরহাদ উদ্দীন নামের লোকের একটি আমবাগান ও গো-খামার জবর দখল করার ঘটনায় সাপাহার থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ জেল হাজতে পাঠিয়েছে।
থানায় দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯১৩ সালে চট্রগ্রাম জেলা ও পাঁচলাইশ থানার নাজিরপাড়ার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে ফরহাদ উদ্দীন সোহেল তার ব্যবসায়ীক সূত্রে সাপাহার আসেন। এখানে এসে তিনি সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল আলম চৌধুরীর কাছ থেকে ১৩.৩৩একর সম্পত্তি লিজ গ্রহণ করে একটি আমবাগান, গরু এবং ভেড়ার খামার স্থাপন করে ভোগদখল করে আসছেন। হঠাৎ করে গত শুক্রবার দুপুরের দিকে পাশ্ববর্তী পত্নীতলা উপজেলার ঘোলাদিঘী গ্রামের মৃত জসিম উদ্দীনের ছেলে আবদুল লতিফ (শুকুর আলী), তার ছেলে শাহিন এবং কাইয়ুম দলবল নিয়ে দেশিয় অস্ত্র হাতে নিয়ে ওই বাগান ও খামারে প্রবেশ করে এবং বাগানে ও খামারে থাকা কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকী প্রদর্শন করে বাগান ও খামার হতে বেরিয়ে যেতে বলে।
এসময় তারা খামার ও বাগান থেকে বেরিয়ে না যাওয়ায় শুকুর আলী ও তার লোকজন খামারে থাকা কর্মচারীদের বেধড়ক মারপিট করে এতে কয়েকজন কর্মচারী গুরুতর জখম হয়।
এসময় বাগানে থাকা কর্মচারীদের বাঁচাতে লোকজন সেখানে গেলে শুকুর আলীরা তাদেরকেও হুমকী দিয়ে সেখান থেকে সরে যেতে বলে। পরে সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শুকুর আলীকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়। এরপর পরদিন শনিবার চট্রগ্রাম থেকে বাগান ও খামার মালিক ফরহাদ উদ্দীন সোহেল সাপাহারে এসে থানায় আবদুল লতিফ (শুকুর আলী) ও তার দুই ছেলের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আটক শুকুর আলীকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল হাই মামলার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টির সঠিক তদন্তের জন্য তিনি একজন পুলিশের উপ-পরিদর্শককে মামলার দায়িত্ব দিয়েছে।