সাপাহারে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: অভিযুক্ত আটক

আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৯, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

সাপাহার প্রতিনিধি


নওগাঁর সাপাহারে এক ধর্ষককে গণপিটুনি দিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেছে এলাকাবাসী। এবিষয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। গত শনিবার সন্ধা ৭টার দিকে উপজেলার সহদলপাড়া ও ওমইল বাজার এলাকার মাঝামাঝি একটি আমবাগানে ঘটনাটি ঘটেছে।
মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সহদলপাড়ার স্থানীয় উমইল দাখিল মাদ্রাসায় ৯ম শ্রেণির ছাত্রী প্রতিদিনের মতো সেদিন বিকেলে ওই মাদ্রাসার এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে মাদ্রাসায় আসে। ঘটনাক্রমে প্রাইভেট শিক্ষক সে দিন না আসায় শিক্ষকের অপেক্ষায় সময় কাটিয়ে মেয়েটি সন্ধ্যে সাড়ে ৬টার দিকে সহদলপাড়া তার বাড়ির উদ্দেশ্যে মাঠের আইল রাস্তা দিয়ে রওনা হয়। মেয়েটি মাদ্রাসা থেকে তার গ্রামের অদূরে একটি আমবাগানের কাছে পৌঁছামাত্র আগে থেকে ওই বাগানে ওঁত পেতে বসে থাকা একই গ্রামের তছলিম উদ্দীনের ছেলে মোর্শেদ আলী (২২) তার পথরোধ করে জোর পূর্বক জাপটে ধরে বাগানের ভিতর নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।
এসময় ধর্ষকের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মেয়েটি চিৎকার করতে থাকলে মেয়েটিকে এগিয়ে নিতে আসা তার মা ও তার সঙ্গের লোকজন চিৎকার শুনতে পেয়ে তারাও চিৎকার শুরু করে। এসময় গ্রামের ভিতর থেকে অনেক লোকজন ছুটে এসে ওই বাগান ঘেরাও করে ধর্ষক মোরর্শেদ আলীকে ধরে ফেলে গণপিটুনি দিয়ে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেয়। পরে নির্যাতিত ছাত্রীর পিতা ওই রাতে সাপাহার থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেন।
সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল হাই নিউটন জানান, হাসপাতাল থেকে অভিযুক্ত মোরর্শেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে সে পুলিশ পাহারায় সাপাহার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।