সিভিল ডিপ্লোমার শিক্ষার্থী পাঁচ লাখ টাকা হলে বেঁচে যাবে রেজাউল

আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৯, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ

বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি


রেজাউল করিম-সোনার দেশ

রেজাউল করিম ২৭ বছর বয়সী যুবক। দিনমজুর বাবা জমসেদ আলীর দ্বিতীয় সন্তান। তার দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে পড়েছে। সপ্তাহে দুই দিন হেমোডায়ালাইসিস করিয়ে টিকিয়ে রাখা হয়েছে জীবন ঘড়ি। তার বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের মাঝগাঁও বউবাজার এলাকায়। দুই ভাই এক বোন বাবা-মা মিলে পাঁচ জনের সংসার। নিজের ভিটেমাটি বলতে ৩ শতক জমিতে টিনের টানা একটি দু’চালা ঘর। বাবা দিন মজুর, বড়ভাই রবিউল করিম ঈগলু আইসক্রিম কম্পানিতে শ্রমিকের কাজ করেন। আর রেজাউল নাটোরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সিভিলে ডিপ্লোমায় সপ্তম সেমিস্টারে পড়ছিলেন। ছোট বোন রুমী খাতুন দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। রেজাউল পড়ালেখার পাশাপাশি ছোট্ট একটি দোকান দিয়ে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ করছিলেন। এরমধ্যে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে জানা যায় তার দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে পড়েছে। প্রায় এক মাস ঢাকায় কিডনি ফাউন্ডেশনে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। পরে তার আর্থিক সংকট দেখা দিলে বাড়িতে চলে আসেন। এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিডনি রোগ বিভাগের রেজিস্টার ডা. সিদ্দিকুর রহমান সোহেলের কাছে চিকিৎসা শুরু করেন। সেখানে সপ্তহে দুইদিন হেমোডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। প্রতিবার ডায়ালাইসিস করাতে প্রয়োজন হচ্ছে ১৫০০ টাকা। এই টাকাও জোগার করা সম্ভব হচ্ছে না তার। ডাক্তার জানিয়েছেন স্থায়ী ভাবে সুস্থ্য হতে কিডনি ট্রান্সফার করতে হবে। এরজন্য প্রয়োজন পাঁচ লাখ টাকা।
রেজাউলের বাবা জমসেদ আলী বলেন, আমাদের পারিশ্রমিক দিয়ে কোন মতে সংসার চলে। চলমান চিকিৎসায় অনেক টাকা ঋণী হয়ে পড়েছি। এভাবে আর চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। তাই কোন সুহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আমার ছেলের জীবন বাঁচাতে সহায়তা করলে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।
রেজাউল বলেন, ডায়ালাইসিস করাতে একদিন দেরি হলেই হাত-পা ফুলে যায়, তীব্র কষ্ট হয়। বাঁচার অনেক আকাঙ্খা আমার। কিন্তু সেটা তো আমার জন্য এখন দুঃস্বপ্নের মতো।
রেজাউলকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা, মো.রেজাউল করিম, হিসাব নম্বর (ডাচ বাংলা ব্যাংক)- ২৬৮.১৫১.৪৯৬৮, মোবাইল নম্বর-০১৭৬৭-০৯৯১১১।