২৫ হাজার টন সার আমদানি করবে সরকার

আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০১৭, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


সারের মজুদ বাড়াতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরব থেকে ২৫ হাজার টন ডিপিএ সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সৌদি আরবের মাডেন এর সঙ্গে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় এ সার আমদানি করা হবে। এ জন্য প্রতি টন সারের দাম ৩৮৯ দশমিক ২৫ ডলার হিসাবে মোট ব্যয় হবে ৮০ কোটি ২২ লাখ টাকা।
গত বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে শেষে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, আসন্ন রবি মৌসুমের চাহিদা মেটানোসহ দেশে সারের মজুদ বাড়াতে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির আলোকে বিএডিসি ২৫ হাজার টন সার আমদানির একটি প্রস্তাব সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করলে কমিটি তা অনুমোদন দেয়। এ জন্য সরকারের ব্যয় হবে ৮০ কোটি ২২ লাখ টাকা।
তিনি আরও বলেন, বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবারহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন-২০১০’ এর আওতায় ‘রূপকল্প-৯: ২ডি সাইসমিক প্রজেক্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে সিসমিক জরিপ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে বিভিন্ন গ্রেডের ৯০০ জন জনবল সরবরাহের জন্য সার্ভিস প্রোভাইডার নিয়োগের একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। মেসার্স আর্নিফ এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ জনবল সরবরাহ করবে। মোট ব্যয় হবে ২৬ কোটি ১৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘রূপকল্প -২০২১’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন-২০১০’এর আওতায় রূপকল্প-৩ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন কসবা-১ (গ্রুপ-এ) এবং রূপকল্প-১ শীর্ষক প্রকল্পের অধীন সালদা (নর্থ) -১ (গ্রুপ-বি) জন্য বিভিন্ন পণ্য ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এজন্য ব্যয় হবে এক কোটি ৮৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
তিনি জানান, বৈঠকে রূপকল্প-১ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সালদা নর্থ-১ ক’প খননেন কাজটি বাপেক্সের নিজস্ব রিগ দ্বারা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ৫টি লটে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ক্রয়ের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ জন্য মোট ব্যয় হবে ১৫৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
এর আগে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন বেসরকারিকরণের জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যস্ত ৫টি মিল বিক্রয়ের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে তা মন্ত্রণালয়ের কাছে ফেরত আনা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবসহ তিনটি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়।