৫ দিনের মধ্যে জানাতে হবে খেলাপি ঋণ আদায়ে কর্মপন্থা

আপডেট: জুন ২৪, ২০১৯, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে। আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে জানাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, চলতি সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সিইও এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
গত শনিবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মো: ইসরাফিল আলমের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদে তিনশ’ ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ করেন। ওই তালিকা দেওয়ার একদিন পর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর নির্বাহীদের এ চিঠি দেওয়া হলো।
ঋণ খেলাপি নিয়ে সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে ঋণ খেলাপির সংখ্যা ছিল এক লাখ ১১ হাজার ৯৫৪ এবং তাদের কাছে ঋণের পরিমাণ ছিল ৫৯ হাজার ১০৫ কোটি টাকা। আর ডিসেম্বর ২০১৮ সালে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপির সংখ্যা এক লাখ ৭০ হাজার ৩৯০ এবং অর্থের পরিমাণ এক লাখ দুই হাজার ৩১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। গত ৩৯ মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৪৩ হাজার ২১০ কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ সময়ে ঋণ খেলাপি বেড়েছে ৫৮ হাজার ৪৩৬ জন।
রোববার রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদেরকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ হিসাবের বিবরণী পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২০১৮ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিকের চেয়ে ২০১৯ সালের মার্চ প্রান্তিকে উদ্বেগজনক মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ গ্রহণযোগ্য সীমায় কমিয়ে আনার জন্য কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া সত্বেও উক্ত তিন মাসে জনতা ব্যাংক লিমিটেড-এর খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে চার হাজার ১৮৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা, অগ্রণী ব্যাংকের ৩৯৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, রূপালী ব্যাংকের ২৩৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, সোনালী ব্যাংকের ১৭৬ কোটি ২০ লাখ টাকা, বেসিক ব্যাংকের ১৭২ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের বেড়েছে ১৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। যা মোটেই কাম্য নয়। এছাড়া দেখা যায় গত তিন বছরে ঋণ খেলাপির সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ অবস্থায়, ঋণ খেলাপির সংখ্যা এবং খেলাপি ঋণের পরিমাণ অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ চিহ্নিতকরণ এবং তা থেকে উত্তরণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে গৃহীত ব্যবস্থা আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও অবহিত করা হয়েছে।
শীর্ষ ৩০০ ঋণ খেলাপি ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম : সামানাজ সুপার অয়েল লিমিটেড এক হাজার ৪৯ কোটি টাকা, গ্যালাক্সি সোয়েটার অ্যান্ড ইয়ার্ন ডাইং খেলাপির পরিমাণ ৯৮৪ কোটি টাকা, রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড ৯৭৬ কোটি টাকা, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম লিমিটেড ৮২৮ কোটি টাকা, মাহিন এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ৮২৫ কোটি টাকা, রূপালী কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেড ৭৯৮ কোটি টাকা, ক্রিসেন্ট লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ৭৭৬ কোটি টাকা, এসএ অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড ৭০৭ কোটি টাকা, সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড ৬১০ কোটি টাকা, গ্রামীণ শক্তি ৬০১ কোটি টাকা, সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেড ৫৮২ কোটি টাকা, কম্পিউটার সোর্স লিমিটেড ৫৭৫ কোটি টাকা, সিমরান কম্পোজিট লিমিটেড ৫৬৪ কোটি টাকা, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস ৫২৬ কোটি টাকা, বেনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫২৩ কোটি টাকা, আলফা কম্পোজিট টাওয়েলস লিমিটেড ৫২৩ কোটি টাকা, সিদ্দিক ট্রেডার্স ৫১১ কোটি টাকা, রুবাইয়া ভেজিটেবল অয়েলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৫০১ কোটি টাকা, রাইজিং স্টিল লিমিটেড ৪৯৫ কোটি টাকা। সুপ্রভ রোটোর স্পিনিং লিমিটেড ৪৬৫ কোটি, ইয়াছির এন্টারপ্রাইজ ৪৬৪ কোটি, চৌধুরী নিটওয়্যার লিমিটেড ৪৬২ কোটি, রানকা সোয়েল কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড ৪৪৯ কোটি, লেক্সকো লিমিটেড ৪৩৯ কোটি, জাকুয়ার্ড নিটেক্স লিমিটেড ৪৩০ কোটি, ইব্রাহিম ট্রেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৩৭৩ কোটি, ম্যাক ইন্টারন্যাশনাল ৩৭২ কোটি, বাংলা লায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেড ৩৭১ কোটি, বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ ৩৫২ কোটি, হল মার্ক ফ্যাশন লিমিটেড ৩৪১ কোটি, পদ্মা পলি কটন নিট ফেব্রিকস লিমিটেড ৩৩১ কোটি, গ্র্যান্ড ট্রেডিং এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ৩২৪ কোটি, ফেয়ার টেড ফেব্রিকস লিমিটেড ৩২২ কোটি, গ্রামবাংলা এনপিকে ফার্টিলাইজার অ্যান্ড অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ৩১৮ কোটি, সাহারিজ কম্পোজিট টাওয়েল লিমিটেড ৩১৪ কোটি, ৭বি অ্যাসোসিয়েটস ৩০৯ কোটি, রুরালস সার্ভিসেস ফাউন্ডেশন ৩০৬ কোটি, সুরুজ মিয়া জুট স্পিনিং লিমিটেড ৩০৪ কোটি, ফেয়ার ইয়ার্ন প্রসেসিং লিমিটেড ২৯৬ কোটি, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল ২৮৬ কোটি, রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেড ২৮০ কোটি, এসকে স্টিল ২৭১ কোটি টাকা, মাবিয়া শিপ ব্রেকার্স ২৭১ কোটি, মুন্নু ফেব্রিকস লিমিটেড ২৬৭ কোটি, হেল্প লাইন রিসোর্স লিমিটেড ২৫৮ কোটি টাকা, দ্য ঢাকা ডাইং অ্যান্ড মেনুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড ২৫৮ কোটি টাকা, বিসমিল্লাহ টাওয়েল লিমিটেড ২৪৪ কোটি, রানকা ডেনিম টেক্সটাইলস মিলস ২২২ কোটি, তানিয়া এন্টারপ্রাইজ ২১২, এইচ স্টিল রি-রোলিং মিলস ২০৯, কে আর স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ২০৪ কোটি, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড ২০১, চিটাগাং সিন্ডিকেট ১৯৮ কোটি, টি অ্যান্ড ব্রাদার্স নিট কম্পোজিট লিমিটেড ১৯৭ কোটি, গ্লোব অ্যাডিবল অয়েল লিমিটেড ১৯৭ কোটি, এম এইচ গোল্ডেন জুটস মিলস লিমিটেড ১৯৪ কোটি, নর্থস এগ লিমিটেড ১৯৪ কোটি, সিম্যাট সিটি জেনারেল ট্রেডিং লিমিটেড ১৯৩ কোটি, ইব্রাহিম কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ১৯২ কোটি, লামিসা স্পিনিং লিমিটেড ১৯১ কোটি, অ্যাপেল সিরামিকস প্রাইভেট লিমিটেড ১৮৯ কোটি, আর আই এন্টারপ্রাইজ ১৮৯ কোটি, এমকে শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড স্টিলস লিমিটেড ১৮৫ কোটি, মাহমুদ ফেব্রিকস অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেড ১৮৪ কোটি, কটন করপোরেশন ১৮৪ কোটি, এম বি এ গার্মেন্ট অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেড ১৮৩ কোটি, সিক্স সিজনস অ্যাপার্টমেন্ট লিমিটেড ১৮৩ কোটি, ন্যাশনালস স্টিল ১৮৩ কোটি, ক্যাপিটাল বোর্ড লিমিটেড ১৮২ কোটি, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ বিডি লিমিটেড ১৮০ কোটি, করলা করপোরেশন বিডি লিমিটেড ১৭৮ কোটি, এক্সপার টেক লিমিটেড ১৭৬ কোটি, ব্লু-ইন্টারন্যাশনাল ১৭৫ কোটি, সাফারি ট্রেডার্স ১৭৪ কোটি, আমাদের বাড়ি লিমিটেড ১৭৩ কোটি, ওয়ালম্যাট ফ্যাশন লিমিটেড ১৭০ কোটি, অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড ১৬৮ কোটি, শবমেহের স্পিনিং মিলস লিমিটেড ১৬৮ কোটি, সুপ্রভ মেলেং স্পিনিং মিলস ১৬৭ কোটি, হিমালয়া পেপার্স অ্যান্ড বোর্ড মিলস ১৬৬ কোটি, লিবার্টি ফ্যাশনস ওয়্যার ১৬৪ কোটি, ক্রিসেন্ট ট্যানারিজ লিমিটেড ১৬৩ কোটি, চৌধুরী টাওয়াল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড ১৬৩ কোটি, চৌধুরী লেদার অ্যান্ড কোম্পানি ১৬২ কোটি, ইসলাম ট্রেডিং কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ১৫৬ কোটি, অ্যাপেক্স নিট কম্পোজিট লিমিটেড ১৫৬ কোটি, আব্দুল্লাহ স্পিনিং মিলস ১৫৫ কোটি, আনোয়ারা মান্নান টেক্সটাইল ১৫৩ কোটি, সাগির অ্যান্ড ব্রাদার্স ১৫৩ কোটি, মাস্টার্ড ট্রেডিং ১৫২ কোটি, ইসলাম ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি ১৫২ কোটি, হিন্দুল ওয়ালি টেক্সটাইল লিমিটেড ১৫২ কোটি, এরিয়ান কেমিক্যালস ১৫১ কোটি, ওয়ার্ন ডেনিম মিলস লিমিটেড ১৫১ কোটি, মুহিব স্পিনিং অ্যান্ড শিপ রিসাইকেলিং ১৫০ কোটি, গ্লোব মেটাল কমপ্লেক্স লিমিটেড ১৫০ কোটি, এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশন ১৪৯ কোটি, জালাল অ্যান্ড সন্স ১৪৯ কোটি, বিশ্বাস গার্মেন্টস লিমিটেড ১৪৯ কোটি, সাইদ ফুড লিঃ ১৪৫ কোটি, এইচআরসি শিপিং লিমিটেড ১৪৪ কোটি, আলী পেপার্স মিলস লিমিটেড ১৪৩ কোটি, রহমান শিপ ব্রেকার্স লিমিটেড ১৪২ কোটি, ড্রেজ বাংলা (প্রা:) লিমিটেড ১৪২ কোটি, ফারইস্ট স্টোক অ্যান্ড ব্রান্ডস লিমিটেড ১৩৯ কোটি, ফিবার সাইন লিমিটেড ১৩৮ কোটি, অর্নেট সার্ভিস লিমিটেড ১৩৭ কোটি, মুজিবুর রহমান খান ১৩৬ কোটি, জাহিদ এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ১৩৪ কোটি, তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ ১৩৩ কোটি, এপেক্স ওয়েভিংস অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেড ১৩০ কোটি, মিশন ডেভলপার লিমিটেড ১৩০ কোটি, তালুকদার ইউপিবিসি ফিটিংস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১৩০ কোটি, এনোন নিট টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, দ্য ওয়েল টেক্স লিমিটেড ১২৯ কোটি, ডেলটা সিস্টেমস লিমিটেড ১২৮ কোটি, এফ আর জুট ট্রেডিং ১২৮ কোটি, গেট নিট টেক্স লিমিটেড ১২৮ কোটি, জেওয়াইবি টেজ লিমিটেড ১২৮ কোটি, জারা নিট টেক্স লিমিটেড ১২৭ কোটি, সোনালী জুট মিলস ১২৭ কোটি, সামানাজ কনডেন্সড মিল্ক ১২৭ কোটি, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ১২৬ কোটি, রেফকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ১২৬ কোটি, স্ট্রিগার কম্পোজিট লিমিটেড ১২৫ কোটি, শফিকুল স্টিল ১২২ কোটি, স্টাইলো ফ্যাশন গার্মেন্ট লিমিটেড ১২১ কোটি, রাজশাহী সুগার মিলস লিমিটেড ১২১ কোটি, ইমারালড অয়েল লিমিটেড ১২১ কোটি, লাকি শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ১২০ কোটি, মিম এন্টারপ্রাইজ ১২০ কোটি, আল আমীন বেভারেজ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ১২০ কোটি, এফ কে নিট টেক্স লিমিটেড ১১৯ কোটি, ম্যাপ পেপার বোর্ড মিলস লিমিটেড ১১৯ কোটি, অটবি লিমিটেড ১১৮ কোটি, হিলফুল ফজল সমাজকল্যাণ সংস্থা ১১৮ কোটি, এ কে জুট ট্রেডিং কোম্পানি ১১৭ কোটি, মনোয়ারা ট্রেডিং ১১৭ কোটি, চিটাগাং ইস্পাত ১১৭ কোটি, টেকনো ডেসিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড ১১৬ কোটি, আলভি নিটটেক্স লিমিটেড ১১৬ কোটি, এফ আর জুট মিলস লিমিটেড ১১৪ কোটি, টেক্সাটাইল ভীরটুসো ১১৪ কোটি, ম্যাক্স শিপ বিল্ডার্স লিমিটেড ১১৪ কোটি, ওয়েস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড ১১৩ কোটি, এমবিইসি-পিবিএল-জেভি ১১৩ কোটি, সিমি নিট টেক্স লিমিটেড ১১৩ কোটি, এলাইন এপারেলস লিমিটেড ১১৩ কোটি, সাইনিং নিট টেক্স লিমিটেড ১১২ কোটি, প্রফিউশনস টেক্সটাইল লিমিটেড ১১২ কোটি, সাউথ স্ট্যার্ন ১১১ কোটি, মা টেক্স ১১১ কোটি, সিদ্দিক অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড ১১০ কোটি, কনফিডেন্স সুজ লিমিটেড ১০৮ কোটি, আহমেদ মুজতবা লিমিটেড ১০৮ কোটি, শাপলা ফ্লাওয়ার মিলস ১০৮ কোটি, আব্দুর রাজ্জাক লিমিটেড ১০৭ কোটি, হাবিব স্টিলস লিমিটেড ১০৬ কোটি, সর্দার অ্যাপারেলস লিমিটেড ১০৬ কোটি, ক্রিয়েটিভ ট্রেডস ১০৬ কোটি, ক্রিস্টাল স্টিল অ্যান্ড শিপ ব্রেকিংস ১০৫ কোটি, সুপার সিক্স স্টার শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড ১০৫ কোটি, জেড অ্যান্ড জে ইন্টারন্যাশনাল ১০৫ কোটি, কক্স ডেভেলপার্স লিমিটেড ১০৫ কোটি, এস শিপিং লাইনস ১০৪ কোটি, জবা টেক্সটাইলস লিমিটেড ১০৩ কোটি, সেন্টার ফর অ্যাসিটেড রিপ্রোডাকশন প্রাইভেট লিমিটেড ১০৩ কোটি, বৈতরণী ট্রেডার্স লিমিটেড ১০৩ কোটি, শীতল এন্টারপ্রাইজ ১০২ কোটি, প্রাইস ক্লাব জেনারেল ট্রেডিং লিমিটেড ১০২ কোটি, নিউ অটো ডিফাইন ১০২ কোটি, অনিকা এন্টারপ্রাইজ ১০১ কোটি, এআরএসএস এন্টারপ্রাইজ ১০১ কোটি, গোল্ডেন হরিজন লিমিটেড ১০০ কোটি, জয়পুরহাট সুগার মিলস ১০০ কোটি, ডুসাই হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড ১০০ কোটি, মোবারক আলী স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৯৯ কোটি, কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড ৯৯ কোটি, রেজা জুট ট্রেডিং ৯৯ কোটি, আর কে ফুডস লিমিটেড ৯৮ কোটি, ম্যামকো জুট মিল ৯৮ কোটি, আরডেন্ট সিস্টেমস ৯৮ কোটি, টেক্স নিট ইন্টারন্যাশনাল ৯৬ কোটি, বেঞ্চ ইন্ডাস্ট্রিজ বিডি লিমিটেড ৯৬ কোটি, ম্যাস শিপ রিসাইকেলিং ৯৬ কোটি, বাংলাদেশ ড্রেস লিমিটেড ৯৬ কোটি, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড ৯৫ কোটি, জয়নব ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড ৯৫ কোটি, ওয়েসিজ হাইটেক স্পোর্টস ওয়্যার ৯৪ কোটি, ক্রিউ অ্যান্ড কো বিডি. লিমিটেড ৯৪ কোটি, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৯৪ কোটি, এখলাস শিপিং মিলস লিমিটেড ৯৩ কোটি, ফাহামি নিট ওয়্যার লিমিটেড ৯২ কোটি, জে অ্যান্ড জে ফেব্রিকস টেক্সটাইল লিমিটেড ৯২ কোটি, আর বি এন্টারপ্রাইজ ৯২ কোটি, অনলাইন প্রপার্টিজ লিমিটেড ৯২ কোটি, ফাহমি ওয়াশিং প্ল্যান্ট ৯০ কোটি, রামিসা ট্রেডিং ৮৯ কোটি, ল্যান্ডমার্ক ফেব্রিকস লিমিটেড ৮৮ কোটি, এস কে এন্টারপ্রাইজ ৮৮ কোটি টাকা।
সাফিন শিপিং লাইন লিমিটেড ৮৮ কোটি, সুপ্রিম জুট অ্যান্ড নিটেক্স লিমিটেড ৮৮ কোটি, ফরচুন স্টিল ৮৭ কোটি, মোস্তফা ওয়েল প্রোডাক্টস লিমিটেড ৮৬ কোটি, এম এস হাবিবুল ইসলাম ৮৬ কোটি, মাবিয়া স্টিল কমপ্লেক্স লিমিটেড ৮৬ কোটি, পদ্মা এগ্রো ট্রেডার্স ৮৬ কোটি, আমান ট্রেডিং করপোরেশন ৮৫ কোটি, পলিমার নিটওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৮৫ কোটি, ইমারাল্ড অটো ব্রিকস লিমিটেড ৮৫ কোটি, মেজেস্টিক হোল্ডিং লিমিটেড ৮৫ কোটি, ওয়াফা এন্টারপ্রাইজ ৮৪ কোটি, দেশবন্ধু সুগার মিল লিমিটেড ৮৪ কোটি, মনিকা ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল ৮৩ কোটি, এস এ ট্রেডার্স ৮৩ কোটি, দ্য এরিস্টোক্রেট এগ্রো লিমিটেড ৮৩ কোটি, ইউরোপা বেভারেজ অ্যান্ড ফুডস লিমিটেড ৮৩ কোটি, ফ্যাশন ক্রাফট নিটওয়ার লিমিটেড ৮৩ কোটি, এটলাস গ্রিনপেক লিমিটেড ৮৩ কোটি, ইমারাল্ড স্পেশালাইজড কোল্ডস্টোরেজ লিমিটেড ৮৩ কোটি, শাহনেওয়াজ জুট মিলস প্রাইভেট লিমিটেড ৮২ কোটি, মার লিমিটেড ৮২ কোটি, ড্রেস মি ফ্যাশনস লিমিটেড ৮২ কোটি, মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স পো মেনুফ্যাকচারিং প্ল্যান লিমিটেড ৮১ কোটি, শাহিল ফ্যাশনস লিমিটেড ৮১ কোটি, ফস্টার রিয়েল এস্টেট লিমিটেড ৮১ কোটি, ইমাম ট্রেডার্স ৮১ কোটি, স্মাহ লিমিটেড ৮০ কোটি, গ্লোব জনকণ্ঠ শিল্প পরিবার লিমিটেড ৮০ কোটি, ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ ৮০ কোটি, এম নূর সোয়েটার্স লিমিটেড ৭৯ কোটি, খান সন্স টেক্সটাইলস লিমিটেড ৭৯ কোটি, ঝুমা এন্টারপ্রাইজ ৭৯ কোটি, এন এইচ কে ফেব্রিকস অ্যান্ড টেক্সটাইল ৭৮ কোটি, গ্রান্ডেউর শিপিং লাইন্স লিমিটেড ৭৮ কোটি, এস রিসোর্সেস শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৮ কোটি, নর্থপোল বিডি লিমিটেড ৭৮ কোটি, অ্যাডভান্সড ডেভেলপমেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড ৭৮ কোটি, ইউরেকা হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেড ৭৮ কোটি, এসএফজি শিপিং লাইন লিমিটেড ৭৭ কোটি, সোলারেন ফাউন্ডেশন ৭৭ কোটি, এটলাস ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড ৭৭ কোটি, এমএএফ নিউজপ্রিন্ট ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭ কোটি, ফাস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ৭৭ কোটি, ইনফরমেশন সলিউশনস লিমিটেড ৭৭ কোটি, বিশ্বাস টেক্সটাইল লিমিটেড ৭৬ কোটি, গ্লোব ইনসেক্টিড ৭৬ কোটি, এশিয়ান ফুড ট্রেডিং অ্যান্ড কোং ৭৬ কোটি, সারিয়াজ ওয়েল রিফাইনারি লিমিটেড ৭৬ কোটি, উয়াশান নিট বাংলাদেশ ৭৬ কোটি, ব্রাদার্স এন্টারপ্রাইজ ৭৬ কোটি, নাবিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৬ কোটি, ঢাকা ডেনিম লিমিটেড ৭৫ কোটি, এম আর শিপিং লাইন ৭৫ কোটি, এমএমএসবি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৫ কোটি, বাইল্ডট্রেড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ৭৫ কোটি, কাবির এন্টারপ্রাইজ ৭৫ কোটি, দেশ জুয়েলার্স ৭৪ কোটি, লৌহজং ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪ কোটি, বাধন ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭৪ কোটি, ইনফ্রাস্ট্রাকচার কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ৭৪ কোটি, প্রিটি সোয়েটার্স লিমিটেড ৭৪ কোটি, ওয়েলপেক পলিমারিস লিমিটেড ৭৪ কোটি, ঐশী ইন্টারন্যাশনাল ৭৪ কোটি, ফস্টার ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ৭৪ কোটি, সুরমা স্টিল অ্যান্ড স্টিল ট্রেডিং কোং ৭৪ কোটি, ইব্রাহিম কম্পোজিট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড ৭৪ কোটি, নর্থ সাউথ শিপিং মিলস লিমিটেড ৭৩ কোটি, ইউসান নিট কম্পোজিট লিমিটেড ৭৩ কোটি, এহসান স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড ৭৩ কোটি, ঢাকা অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্কস লিমিটেড ৭৩ কোটি, শাহাদাত এন্টারপ্রাইজ ৭৩ কোটি, এম কে ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ৭৩ কোটি, হলমার্ক শিপিং মিলস লিমিটেড ৭২ কোটি, এজাক্স জুট মিলস লিমিটেড ৭২ কোটি, শাহেদ শিপ ব্রেকিং ৭২ কোটি, রুম্মান অ্যান্ড ব্রাদার্স ৭২ কোটি, রোসেবুর্গ রাইস মিলস লিমিটেড ৭১ কোটি, এএসটি বেভারেজ লিমিটেড ৭১ কোটি, মিনটেক্স ফ্যাশন লিমিটেড ৭১ কোটি, রংপুর জুট মিলস ৭১ কোটি, রোসেবুর্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৭১ কোটি, সিপিএম কম্পোজিট নিট প্রাইভেট লিমিটেড ৭০ কোটি, হানজাল টেক্সটাইলস পার্ক লিমিটেড ৭০ কোটি, ইস্টার্ন কর্পোরেশন ৭০ কোটি, ফিনকোলি অ্যাপারেলস লিমিটেড ৭০ কোটি, জয়েন্ট ট্রেডার্স ৭০ কোটি, ন্যাশনাল আইরন অ্যান্ড স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯ কোটি, ইকো ব্রিকস লিমিটেড ৬৯ কোটি, তালুকদার প্লাস্টিক কোম্পানি লিমিটেড ৬৯ কোটি, বিএনএস ইন্টারন্যাশনাল কোং ৬৯ কোটি, এপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড ৬৯ কোটি, টেকো প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ৬৯ কোটি, ওশিয়ান শিপিং মিলস লিমিটেড ৬৯ কোটি, ক্লাসিক সাপ্লাইস লিমিটেড ৬৯ কোটি, সৈয়দ টেডার্স ৬৯ কোটি, ওয়েস্টারিয়া টেক্সটাইলস লিমিটেড ৬৯ কোটি, নোবেল কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড ৬৮ কোটি, আলী এন্টারপ্রাইজ ৬৮ কোটি টাকা।