৯ দিন পর নাটোরে মিলন হত্যা রহস্য উদঘাটন

আপডেট: আগস্ট ২০, ২০১৯, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ

নাটোর প্রতিনিধি


নাটোরে পরিত্যক্ত সরকারি কোয়ার্টারে যুবক মিলন হোসেন হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে পুলিশ এই হত্যা রহস্যের উদঘাটন করে। মিলন হোসেনের অ্যাকাউন্টে আউট সোর্সিং-এর মাধ্যমে উপার্জিত ষাট হাজার টাকার বিরোধের জের ধরে তার বন্ধু শহরের বড়গাছা এলাকার খোকন চন্দ্র শীলের ছেলে সাহস শীল এবং তার মামাতো ভাই কুষ্টিয়ার মীরপুর থানার চিথলিয়া গ্রামের শ্যামল কুমার বিশ্বাসের ছেলে পার্থ বিশ্বাস তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনার ৯ দিন পর এই রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ। নিহত মিলন হোসেন সদর উপজেলার সিঙ্গারদহ গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। গ্রেফতারকৃতরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে মিলন হোসেনকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নাটোরের এসপি লিটন কুমার সাহা জানান, নাটোর শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টারের মাধ্যমে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ নেন তারা। ৩ মাসের মাসের মাথায় মিলন হোসেনের অ্যাকাউন্টে আউট সোর্সিং- এর মাধ্যমে উপার্জিত ৬০ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধ চলছিল সাহস শীল ও তার বন্ধুর। এরই জেরে মিলন হোসেনকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী সে তার মামাতো ভাই কুষ্টিয়ার মীরপুর থানার চিথলিয়া গ্রামের শ্যামল কুমার বিশ্বাসের ছেলে পার্থ বিশ্বাসকে ডেকে আনে। এরপরে গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় মোবাইল করে মিলনকে পরিত্যক্ত ওই ভবনে ডেকে নিয়ে দুইজনে মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে। উল্লেখ্য, গত ১০ আগস্ট শনিবার রাত ৮ টার দিকে শহরের আলাইপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত সরকারি কোয়ার্টার থেকে পুলিশ অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দুই জোড়া স্যান্ডেল, একটি লাঠি ও দড়ি উদ্ধার করে। এরপর থেকে ঘটনার তদন্তে পুলিশ মাঠে নামে। পরে মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং করে এই হত্যা রহস্য উদঘাটন করা হয়।