অক্ষয় কুমার ও বিরেন সরকারের স্মৃতি রক্ষায় উদ্যোগ নেয়া উচিত ।। নাট্যোৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে

আপডেট: মার্চ ৬, ২০১৭, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক
‘যেসব গুণিজনদের আমরা হারিয়ে ফেলেছি তাদেরকে আমরা আর পাব না। কিন্তু তাদের স্মৃতি আমাদের মাঝে আজও বিদ্যমান। তাই তাদের স্মৃতিগুলোকে গুরুত্বসহকারে সংরক্ষণ করা দরকার। বিশেষ করে অক্ষয় কুমার মৈত্র ও বিরেন সরকারের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য আমাদেকে কিছু করা দরকার। তাদেরকে ভুলে গেলে চলবে না।’
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় নগরীর পদ্মামঞ্চে ‘হাতের মুঠোয় হাজার বছর, আমরা চলেছি সামনে’ স্লোগানে রাজশাহী থিয়েটার আয়োজিত ‘অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় নাট্যোৎসব-২০১৭’র সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, রাজশাহী থিয়েটারের সভাপতি কামারউল্লাহ সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন, ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত নৃত্যগুরু ওস্তাদ বজলুর রহমান বাদল, একুশে পদকপ্রাপ্ত সঙ্গীতজ্ঞ পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী ও রাজশাহী অ্যাসেসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. তসিকুল ইসলাম রাজা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গুণীদের কদর বা সম্মান যেখানে করা হয় না, সেখানে গুণীরা জন্ম নেন না। তাই আমাদের সকলের উচিত গুণীজনদেরকে সম্মান প্রদর্শন করা। তাদের স্মৃতিগুলোকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা।
বক্তারা আরো বলেন, নতুন প্রজন্ম এগিয়ে যাচ্ছে, তারা এগিয়ে যাবে। নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদেরকে সহায়তা করতে হবে।
এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ড. সাজ্জাদ বকুল, রাজশাহী ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি আহসান কবীর লিটন, প্রথম আলো’র রাজশাহী ব্যুরো প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী কোর্ট কলেজের অধ্যক্ষ একেএম কামারুজ্জামান, সাংস্কৃতিক কর্মী মনিরা রহমান মিঠিসহ রাজশাহীর গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।
আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা মুক্ত আকাশে ফানুস উড়ান। এরপর রাজশাহী থিয়েটারের নাট্যশিল্পীরা ‘কুটুস কাটুস’ নাটক মঞ্চস্থ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ