অপহরণ নাটক সাজানোর অভিযোগে আ’লীগ নেতা কারাগারে

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৭, ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


বানেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ-সোনার দেশ

অপহরণ নাটক সাজানোর অভিযোগে রাজশাহীর পুঠিয়ার বানেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রাজশাহীর পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সায়েদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এরপর তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার ঈদের দিন বেলা ১২টার দিকে আবুল কালাম আজাদকে বিড়ালদহ এলাকা থেকে পুঠিয়া থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত কুমার। এর আগে শনিবার ভোর রাতে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থেকে সে নিজের ইচ্ছায় বের হয়ে আসেন। এরপর তিনি তার বাড়ি পুঠিয়ার নামাজ গ্রামে এসে উপস্থিত হন।
ওসি সায়েদুর রহমান জানান, মাইক্রো চালক বিপ্লবের দেয়া তথ্য মতে অজ্ঞাত এক যুবকের মোবাইল ফোনের কল লিস্ট যাচাই করে যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে প্রমাণ হতে বাকি থাকে না যে এটি আবুল কালামেরই সাজানো নাটক।
আর আগে ৩০ আগস্ট আবুল কালামকে মাইক্রোবাসে করে অপহরণ করা হয়েছে বলে থানায় মামলা করেন আবুল কালামের ছেলে দোয়েল। এরপর পুলিশ ৩১ আগস্ট রাতে অভিযান চালিয়ে মাইক্রোবাসসহ চালক বিপ্লব হোসেনকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
চালক বিপ্লব হোসেন পুলিশকে জানান, এক বড় ভাই বানেশ্বর বাজার থেকে টাকা নিয়ে নাটোর আসবেন বলে মাইক্রোবাসটি ভাড়া নেন অজ্ঞাত এক যুবক। এরপর নাটোর মাইক্রোস্ট্যান্ড থেকে বানেশ্বরের দিকে রওনা হয় চালক বিপ্লব। পথে সুলতানপুর এসে একটি ক্লাব থেকে আরও তিনজন যুবক মাইক্রোতে ওঠে। অজ্ঞাত ওই যুবকসহ চারজন যুবককে নিয়ে রাত ৮টার দিকে বানেশ্বর বণিক সমিতি অফিসের সামনে দাঁড়ায় মাইক্রোবাসটি। এরপর মাইক্রোবাস থেকে ওই যুবক নেমে গিয়ে বণিক সমিতি অফিসে যান। তিনি আবুল কালাম আজাদকে সঙ্গে করে নিচে নেমে আসেন। আবুল কালাম আজাদ নিজেই পায়ে হেঁটে এসে মাইক্রোবাসে ওঠেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ