অবৈধ বিদেশি তামাকপণ্য বিক্রি বন্ধে পদক্ষেপ নিবে জেলা প্রশাসন

আপডেট: জানুয়ারি ৯, ২০২০, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


বিদেশি তামাকপণ্যের অবৈধ রমরমা বাণিজ্য বন্ধে পদক্ষেপ নিবে রাজশাহী জেলা প্রশাসন। রাজশাহীর যেসব তামাকপণ্যের দোকানে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অমান্য করে বিদেশি তামাকপণ্য বিক্রি হচ্ছে সেসব দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে অ্যাসোসিয়েশন ফর কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট এসিডিকে জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) হামিদুল হক।
নগরীরতে এসিডি এর পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, নগরীর বিভিন্ন তামাকপণ্যের দোকানে ইলেক্ট্রনিক সিগারেট (ই-সিগারেট), বিদেশ থেকে আমদানিকৃত হুকা বা শিশা, ভ্যাপ, বিদেশি বিভিন্ন সিগারেট দেদারছে বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ফ্লেবারের ই-সিগারেট, ভ্যাপ, আকর্ষণীয় মোড়কে মোড়ানো বিভিন্ন নামের বিদেশি সিগারেটে নগরীর তামাকের দোকানগুলো সয়লাব হয়ে গেছে। বিশেষ করে নগরীর সোনাদিঘী মোড়, জিরোপয়েন্ট, বাটার মোড়, আরডিএ মার্কেট, নিউ মার্কেট ও রাজশাহী বিশ্ববদ্যালয়ের পার্শ¦বর্তী বিভিন্ন স্থানে এসব বিদেশি তামাকপণ্য বিক্রি হচ্ছে। অবৈধ বিদেশি সিগারেগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেনর গোল্ড, কে-২, সিটি গোল্ড, ডার্কিস, সিটি ব্লাক, জাভা ব্লাক, সেনার গোল্ড, ব্লাক, ইজি, মুড, জিজি টোব্যাকোর গুদাং গারাম, থ্রী-নট থ্রী ইত্যাদি। শুধু রাজশাহী নগরী নয়, জেলার পবা, বাগমারা ও বাঘাসহ প্রায় সবগুলো উপজেলার পৌর শহরে এসব অবৈধ বিদেশি সিগারেটের রমরমা বাণিজ্য চলছে।
অথচ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫ (সংশোধিত আইন-২০১৩) এর ধারা ১০ এ উপধারা-৩ এ স্পষ্ট উল্লেখ আছে, বাংলাদেশে বিক্রিত তামাকজাত দ্রব্যের সকল প্যাকেট, মোড়ক, কার্টন, ও কৌটায় শুধুমাত্র বাংলাদেশে বিক্রয়ের জন্য অনুমোদিত মর্মে একটি বিবৃতি মুদ্রিত না থাকিলে বাংলাদেশে কোন তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় করা যাইবে না।
আবার একই ধারার উপধারা-৬ এ উল্লেখ আছে, কোন ব্যক্তি এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করিলে তিনি অনূর্ধ্ব ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক দুই লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ওই ব্যক্তি দ্বিতীয়বার বা পুন:পুন: একই ধরনের অপরাধ করিলে তিনি পর্যায়ক্রমিকভাবে এই দণ্ডের দ্বিগুণহারে দণ্ডনীয় হইবেন।
তবে রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক এডিসিকে বলেন, রাজশাহীতে বিদেশি তামাকপণ্য বিক্রির বিষয়টি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে রাজশাহীতে এটির বিক্রি বন্ধে পদক্ষেপ নেব। কোথায় কোথায় এগুলো বিক্রি হচ্ছে তার একটি তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আশা করছি, শিগগিরই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে রাজশাহীতে বিদেশি পণ্য বিক্রি বন্ধ কর হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ