অযাচিত সময়ের আগ্রাসন

আপডেট: মে ৩১, ২০২৪, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ

সেঁজুতি রহমান


ঘর থেকে অনেকটা দূরে হাঁটতে শিখেছি
ঘরের আঙিনা পার হয়ে
চোখের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত
একটা শূন্য প্রান্তর
তারই পাশে সমুদ্রের গর্জন
কলম্বাসের জাহাজ নতুন জীবন সন্ধানে বিভোর
তবুও কেন যেন মনেহয় সেখানেও কী
জীবনের ছন্দপতন!
রুপালি মাছেরা নিলামে তুলেছে সমস্ত অভিযোগ
পানি ছেড়ে মুক্ত বাতাসে
বেছে নিয়েছে নিজেদের স্বেচ্ছা আত্মহনন।

প্রজনন ঋতুতে পাখিরা ঠোঁটে করে আনে খড়কুটো
যত্নে বোনে বাসা বৃক্ষের শাখায়
ছানা উড়ে গেলে অযাচিত ঘর
বয়ে যাওয়া বাতাসে মলিন হয়
বিলুপ্ত হওয়ার আগেও স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখতে
হয় ব্যাকুল।

সময় চলতে থাকে সময়ের ছন্দে অতীত থেকে
ভবিষ্যতের পথে
অনিয়মে অভ্যস্ত আমি এখনো শিখতে পারিনি
কীভাবে নদীতে বাঁধ দিতে হয়,
কীভাবে আকাশের মায়াজাল ছিঁড়ে
উল্কার মতো শূন্যে মিলিয়ে যেতে হয়।